Reviewed by All newspaper
on
March 29, 2024
Rating: 5
Romantic Love Story | দুস্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প | ভালোবাসার বিপদ
আজকে আপনাদের জন্য লেখা Romantic Love Story অর্থাৎ প্রেমের গল্প টির নাম "ভালোবাসার বিপদ" গল্পের প্রধান চরিত্রে দীনেশ ও দিশা, গল্পের বিষয় - ত্রিকোণ প্রেম! আরও Bengali Love Story এবং Funny Bengali Jokes পড়ার জন্য আমাদের ব্লগ টিকে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকুন, আশাকরি গল্পটি পড়িয়া যদি আপনার ভালো লাগিয়া থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট এবং বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করিতে ভুলিবেন না।
| Love story Bangla |
Romantic Love Story in Bengali Language
আজকের গল্প - ভালোবাসার বিপদ
কোনও সমস্যা ছিল না। দিব্যি শান্তিতে ছিলাম। সমস্যা বাধাল দিশা। আমাদের পত্রিকার অফিসে সবে ঢুকেছে। ওর দিকে তাকালেই বুকের মধ্যে কুর কুর করে। ইচ্ছে হয় নানা অছিলায় ওর সঙ্গে কথা বলি, একসঙ্গে চা খাই, রাস্তায় ঘুরে বেড়াই। তার সুযােগও এসে গেল। একদিন অফিসের একটা কাজে দিশাকে ডেকে পাঠালাম। দিশা হাসিমুখে আমার সামনে এসে দাঁড়াল।
আমি বললাম, বসুন।
দিশা আমার সামনে বসল।
জিজ্ঞেস করলাম, চা খাবেন?
দিশা বলল, না।
কফি?
হরলিক্স?
না।-বলে দিশা হেসে ফেলল।
এবার আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী?
দিশা জোর দিয়ে বলল, অবশ্যই।
পুরুষের স্বাধীনতায়?
পুরুষের স্বাধীনতার দরকার নেই। পুরুষেরা তাে এমনিতেই স্বাধীন।
মােটেও না। পুরুষেরা নারীদের চেয়েও পরাধীন। এই আমার কথাই ধরুন। বাড়িতে আমার মা আছে, স্ত্রী আছে। তাদের অমতে কোনও কাজ করতে পারি না। তারা যা বলবে তাই আমাকে শুনতে হবে। না শুনলে অশান্তি। আমি কাউকে এখন ভালবাসতে চাইলে ভালবাসতে পারব না। আমার স্ত্রী বা মা যদি কথাটা জানতে পারে, তা হলে আমার দফারফা।
দিশা হেসে বলল, জানতে পারবে কেন?
আমিও হেসে বললাম, কী করে যে জেনে যায়, তা বলতে পারব না।
আরও পড়ুনঃ গল্পঃ ভালোবাসার বিভ্রাট
এরকম কি কখনও হয়েছে ?
হয়নি। তবে হতে কতক্ষণ? কারণ, পুরুষের মন ভালবাসার ব্যাপারে বড়ই চঞ্চল।
কখন যে কাকে ভালবেসে বসবে, তার ঠিক নেই। বলে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, এবার কাজের কথায় আসি। সামনের রবিবার একটা Cover Story বেরবে।
বিষয় : নারী স্বাধীনতা। আপনাকে এ নিয়ে সাড়ে তিন হাজার শব্দের মধ্যে একটা লেখা তৈরি করতে হবে। পারবেন তাে?
দিশা দৃঢ়তার সঙ্গে বলল, পারব।
আমি তা শুনে বললাম, তবে একটা কথা মনে রাখবেন, লেখা যেন সহজ-সরল হয়। পাঠকেরা যেন লেখা পড়ে বুঝতে পারে।
আচ্ছা।
তা হলে আজই লেখা শুরু করে দিন। পরশু দিন লেখাটা চাই।
এত তাড়াতাড়ি!
হ্যা।
চেষ্টা করব।-বলে দিশা চলে গেল।
এ কী হল আমার! এরকম তাে হওয়ার কথা নয়। ঘরে আমার সতীসাধ্বী স্ত্রী আছে।
সে আমাকে ভালবাসে। আমিও তাকে ভালবাসি। তবু কেন আমার এই মতিভ্রম? কেন দিশাকে ভুলতে পারছি না? অফিসের মধ্যে আমার এই বেসামাল অবস্থা গােপন রেখে কাজ করতে লাগলাম। তবে মনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দের প্রেমের কবিতার পঙক্তি ঘুরে ঘুরে আসতে লাগল। কেন আসতে লাগল, তা জানি না। তারপর মনে হল,
একটা কবিতা লিখি। কিন্তু আমি কোনওদিন কবিতা লিখিনি, কী করে কবিতা লেখা হয়, তাও জানি না। যদি জানতাম একটা Premer Kobita লিখে ফেলতাম। কিন্তু তা সম্ভব নয়। আমি গদ্য লিখি। গদ্যে কি প্রেম জানানাে যায়? যায়, অবশ্যই যায়। সমস্যা হল। আমি আমার কাগজে যে-ধরনের গদ্য লিখি, তা দিয়ে আর যাই যােক প্রেম করা যায় না।
প্রেম করার জন্যে যে-ধরনের নরম নরম গদ্য লেখা হয়, তা লিখতে আমি জানি না।
যদি জানা থাকত তা হলে কোনও অসুবিধে হত না। আমি এখনই তা লিখে ফেলতাম। লিখে দিশার হাতে তুলে দিতাম। না, সেটা করা উচিত হত না। দিশা
আমাকে নির্লজ্জ ভাবত। শুধু তাই নয়, সেই লেখাটা নিয়ে দিশা হয়তাে সম্পাদকের হাতে তুলে দিত। দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নালিশ করত, আমার বিরুদ্ধে যা-নয়-তাই বলত। সম্পাদক তখন হয়তাে আমাকে ডেকে পাঠাতেন, দিশার কাছে ক্ষমা চাইতে বলতেন। আমার বেইজ্জতির শেষ থাকত না। তারপর আমার হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হত। রবিবারের পাতা থেকে আমাকে সরিয়ে অন্য কোনও দফতরে ঠেলে
দেওয়া হত। তারপর এই অফিসে আমার পক্ষে কাজ করাই সমস্যা হয়ে উঠত। অতএব কোনও ঝামেলায় যাওয়ার দরকার নেই। যেমন আছি, তেমনই থাকা ভাল। কিন্তু মনকে সংযত রাখা খুব মুশকিল। দিশাকে মন থেকে সরাতে পারলাম না।
অফিস থেকে বাড়ি ফিরলাম। জামা-প্যান্ট ছেড়ে পায়জামা পরলাম। তারপর হাতমুখ ধুয়ে টিভির সামনে এসে বসলাম, বসতেই হঠাৎ ভুল সুরে গাইতে লাগলাম, ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে...।
সঙ্গে সঙ্গে বউ ছুটে এল, মা ছুটে এল।
বউ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার? হঠাৎ রবীন্দ্রসংগীত?
মা জিজ্ঞেস করল দীনেশ, এত খুশি কিসের ? মাইনে বেড়েছে?
বউ জিজ্ঞেস করল, তুমি কারও প্রেমে পড়নি তাে?
মা জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে সত্যি করে বল।
বউমা যা বলছে তা কি সত্যি?
বউ বলল, মানুষ আনন্দে গান গায়।
তােমার কিসের এত আনন্দ?
মা বলল, মানুষ দুঃখেও গান গায়।
তাের কিসের এত দুঃখ?
আমি এবার বলতে গেলাম, তােমরা যা ভাবছ মােটেও তা নয়। আসলে...
আরও পড়ুনঃ গল্পঃ ভালোবাসা একটি আর্ট
বউ জিজ্ঞেস করল, আসলে কী? তােমার জ্বর হয়নি তাে? জ্বর হলেও মানুষ গান গায়। আমার কাকা জ্বর হলেই গান গাইত।
মা বলল, বউমা, থার্মোমিটারটা নিয়ে এস তাে।
বউ সঙ্গে সঙ্গে থার্মোমিটার নিয়ে এল।
এসে আমাকে বলল, হাঁ করাে।
মুখে থার্মোমিটার দেব।
আমি বললাম, তােমরা কিন্তু পাগলামি করছ।
আমার কিছু হয়নি।
মা বলল, হয়েছে, তুই বুঝতে পারছিস না।
তুই হাঁ কর। দেখব কত জ্বর হয়েছে।
আমি বললাম, দেখতে হবে না। আমার কিছু হয়নি।
বউ বলল, হয়নি বললে শুনব না।
তােমার কিছু একটা হয়েছে।
লক্ষণ ভাল ঠেকছে না। তােমার মুখে কিন্তু একটা প্রেমের ভাব ফুটে উঠেছে।
বলে মাকে জিজ্ঞেস করল, আপনার কী মনে হয় মা?
মা বলল, আমি কিছু বুঝতে পারছি না।
তােমার শ্বশুর তিন বছর হল মারা গেছে।
আমি কোনওদিন তােমার শ্বশুরকে প্রেমে পড়তে দেখিনি। আমিই ছিলাম তার ধ্যানজ্ঞান।
ফলে প্রেমে পড়লে পুরুষের মুখের ভাব কীরকম হয়, তা বলতে পারব না।
বউ বলল, আমি বলতে পারব। বিয়ের আগে একটা ছেলে আমার প্রেমে পড়েছিল।
সে আমাকে নিয়ে গুচ্ছের কবিতা লিখে আমাকে শােনাত। আমি কিছু বুঝতাম না।
তবে তার মুখে কীরকম একটা ভাব ফুটে উঠত।
আজ আপনার ছেলের মুখে সেইরকম ভাব দেখছি।
আমি এবার শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করলাম, তুমি তাকে বিয়ে করলে না কেন?
বউ বলল, সারাজীবন কবিতা শুনতে হবে, এই ভয়ে তাকে ছেড়ে দিলাম। উহ! কী ভয়ংকর দিন গেছে আমার! সেসব ভাবলে আমার আজও আতঙ্ক হয়।
মা বলল, তুমি যখন বলছ বউমা, তখন এ নিশ্চয় কোনও কাণ্ড ঘটিয়ে বসেছে। বলে।
মা আমাকে জিজ্ঞেস করল, সত্যি করে বল, তুই কোন মেয়ের পাল্লায় পড়েছিস?
বউ জিজ্ঞেস করল, মেয়েটি কি তােমাদের অফিসে কাজ করে?
মা জিজ্ঞেস করল, নাকি এই ফ্ল্যাটবাড়ির কোনও মেয়ে? পাঁচতলার অর্চনা বলে একটি মেয়ের সঙ্গে তােকে অনেকদিন কথা বলতে দেখেছি। তুই তার পাল্লায় পড়েছিস?
বউ বলল, হতে পারে। আমি কি এখনই অর্চনাকে ডেকে পাঠাব?
এবার আর চুপ করে থাকা যায় না। অর্চনা এলে একটা কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।
আমি তাই ক্ষিপ্ত হয়ে বললাম, তােমাদের কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? কী চাও তােমরা?
আমি কি বাড়ি থেকে চলে যাব, নাকি আত্মহত্যা করব? ঘরে বসে একটু রবীন্দ্রসংগীত গাইতে পারব না?
আমার কথায় দু'জনেই শান্ত হল।
মা বলল, আজ ওকে ছেড়ে দাও বউমা। আরও দু’দিন দেখাে।
বউ বলল, তাই দেখা যাক।
আমি বললাম, দেখে কী করবে?
মা বলল, যদি দেখি বাড়ি ফিরে আবার রবীন্দ্রসংগীত গাইছিস তা হলে ডাক্তার ডাকব।
বউ বলল, ডাক্তার না। আমি থানায় খবর দেব।
আমি থানার নাম শুনে ভয় পেয়ে চুপ করে গেলাম।
ঠিক করলাম ঘরে ফিরে আর কোনওদিন রবীন্দ্রসংগীত বা আধুনিক প্রেমের গান গাইব না।
যদি গাইতে হয় তা হলে শ্যামাসংগীত গাইব।
তা হলে আমার বউ বা মায়ের কিছু বলার থাকবে না। তবে ঘরের বাইরে গান গাইতে পারি। গাইতে কোনও অসুবিধে নেই। তাই বলে অফিসে গান গাওয়া চলবে না। তবু পরদিন অফিসে হঠাৎ গান এসে গেল। নিজেকে সামলাতে পারলাম না। খুব নিচু গলায় ভুল সুরে গাইতে লাগলাম:
আমার পরান যাহা চায়...
আর ঠিক তখনই দিশা ঘরে ঢুকল। আমার গান শুনে দিশা হেসে বলল, কী ব্যাপার দীনেশ বাবু।
অফিসের মধ্যে গান! কারওর প্রেমে পড়েছেন নাকি?
আমি গান থামিয়ে বললাম, হ্যা।
জানতে পারি কার প্রেমে পড়েছেন?
ইয়ার্কির ছলে বললাম, আপনার।
সে আমার সৌভাগ্য।-বলে দিশা বলল, একটা কথা বলতে এসেছিলাম।
কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কী কথা?
আমার দ্বারা লেখা হবে না। আপনি অন্য কাউকে বলুন।
সে তাে বলতেই পারি। কিন্তু আপনি লিখতে পারবেন না কেন?
লেখার ক্ষমতা আমার নেই।
কী করে বুঝলেন ?
কাল বাড়িতে লিখতে বসেছিলাম। কিন্তু একটা লাইনও মাথায় এল না।
আরও পড়ুনঃ ছোটোদের কবিতা ঝিঙে ফুল
তা হলে থাক। দেখি, অন্য কাউকে দিয়ে প্রবন্ধটা লেখানাে যায় কি না। বলে
বললাম, ঠিক আছে। আপনি এখন আসুন।
দিশা চমকে উঠে বলল, আসব মানে? আপনার সঙ্গে একটু গল্প করতে এলাম।
বললাম, গল্প করার সময় আমার নেই। আমি এখন খুব ব্যস্ত।
ব্যস্ত কোথায়? আপনি তাে গান গাইছিলেন। আমি যদি এখনই কথাটা সম্পাদককে গিয়ে বলি, তা হলে আপনার কি অবস্থা হবে বুঝতে পেরেছেন?
আমি ভিতু মানুষ। তাই ভয় পেয়ে বললাম, না-না, একথা বলতে যাবেন না।
দিশা বলল, বলব না, যদি আপনি আমার কথা শুনে চলেন।
আপনার কথা আমাকে শুনতে হবে কেন?
শুনতে আপনি বাধ্য। কারণ, এই পত্রিকার মালিক আমার মেশোমশাই হন।
আমি প্রায় আঁতকে উঠলাম, তাই নাকি!
হ্যা।-বলে দিশা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
দিশার মেশোমশাই আমাদের পত্রিকার মালিক। এটা জানার পর থেকে আমি দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলাম। বুঝতে পারলাম, এবার দিশা যা বলবে, তাই আমাকে শুনতে হবে। না বলার উপায় নেই। তাই বাড়ি এসে ভুল সুরে শ্যামাসংগীত গাইতে শুরু করলাম:
বল্ মা তারা দাঁড়াই কোথা।
সঙ্গে সঙ্গে বউ এবং মা ছুটে এল।
বউ জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার! আজ যে শ্যামাসংগীত।
আমি বললাম, উহ। তােমাদের জ্বালায় গান গাইতে পারব না?
মা বলল, ওর মতিগতি ভাল ঠেকছে না। একটা ভাল ডাক্তার দেখাও বউমা।
তাই দেখাতে হবে। বলে বউ চলে গেল। মাও আর কথা না বলে চলে গেল।
আমি গান থামিয়ে চুপ করে বসে রইলাম। বসে বসে ভাবতে লাগলাম ভবিষ্যতে আমার সামনে কী কী বিপদ আসতে পারে। দিশাকে ভাল লাগার ফলে যে এমন সমস্যা হবে, তা কে জানত! এখন আর করার কিছু নেই। দিশা যা বলবে তাই শুনতে হবে?
এই বয়সে আমি চাকরি খােয়াতে চাই না।
পরদিন অফিসে ঢুকে সবে কাজে বসেছি, এমন সময় দিশা ঘরে ঢুকে বলল, আজ দুটো সিনেমার টিকিট রেখেছি। আমার সঙ্গে যেতে হবে।
কখন?
সন্ধেবেলা।
কিন্তু বউ জানতে পারলে...
জানতে পারলে কী হবে? বড়জোর ডিভাের্স।
তার বেশি কিছু নয়।
সম্ভব নয়।
খুব সম্ভব। মনে রাখবেন আপনি ঘরে বদ্ধপুরুষ। কিন্তু বাইরে মুক্তপুরুষ। আপনি বাইরে যা খুশি করতে পারেন।
আমার স্বামী আমার কাজে বাধা দিতে এসেছিল, আমি ডিভাের্স করে দিয়েছি।
আপনি ডিভাের্সি?
হ্যা। দুদিন পরে আপনিও ডিভাের্সি হবেন। ক্ষতি কী?
আমি বিস্মিত হয়ে দিশার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এবার আমি কী গান গাইব?
Bengali Hot Story With Photo | বড়দের গল্প | একান্ত গোপনে
আজকের Golpo "একান্ত গোপনে" গল্পের প্রধান চরিত্রে প্রিয়ব্রত ও মণীষা, গল্পের বিষয় - Bengali hot story আরও Bangla love story এবং Bangla jokes অথবা Bengali Shayari পড়ার জন্য আমাদের ব্লগ টিকে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকুন, গল্পটি পড়িয়া যদি আপনার ভালো লাগিয়া থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট এবং শেয়ার করিতে ভুলিবেন না।
| Love story Bangla |
Bangla Hot Story With Photo - বাংলা বড়দের গল্প
আজকের গল্প - একান্ত গোপনে
শিলিগুড়িতে কালই পৌছনাের খুব দরকার প্রিয়ব্রতর, ব্যবসা সংক্রান্ত একটা ব্যাপারে। কিন্তু এসপ্লানেডের দূরপাল্লার বাসগুমটিতে এসে যখন সে জানতে পারলাে শিলিগুড়িগামী শেষ রকেট বাসে একটা আসনও ফাঁকা নেই, আর শেষ রকেট বাস ছাড়তে তখন মাত্র পাঁচ মিনিট বাকী ছিল। প্রিয়ব্রত মাথায় হাত দিয়ে বসলাে, নির্ঘাত নতুন কন্ট্রাক্টটা হাতছাড়া হয়ে যাবে। এখন উপায়! ঠিক এই সময়ে যেন পরিত্রাতার ভূমিকায় এসে হাজির হলাে বছর চব্বিশ-পঁচিশের এক সুন্দরী যুবতী।
টিকিট রিটার্ন কাউন্টারের সামনে এসে মেয়েটি ব্যস্ত হয়ে বলে উঠলাে, দেখুন আমার নাম মণীষা মজুমদার, আমার স্বামী দীপক বিশেষ একটা জরুরী কাজে এখানে আটকে পড়ায় শিলিগুড়ি যেতে পারছেন না। তাই ওঁর টিকিটটা ফেরত নিতে হবে। ‘শেষ মুহূর্তে টিকিট ফেরত? বুকিং ক্লার্ক রমেন খাস্তগীর একটু ইতস্তত করলাে, হঠাৎ প্রিয়ব্রতর কথা মনে পড়তেই সে কাউন্টারের সামনে তাকালো। প্রিয়ব্রতকে দেখতে পেয়ে সে চিৎকার করে বলে উঠলাে, “মশাই, এই যে মশাই শুনছেন। একটু আগে আপনি না শিলিগুড়ির একটা টিকিট চাইছিলেন? যােগাড় হয়ে গেছে। ভাড়ার টাকাটা দিয়ে টিকিটটা নিয়ে যান।
টিকিটের নাম, শুনে প্রিয়ব্রত হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলাে বটে কিন্তু টিকিটটা অন্য এক ভদ্রলােকের, ফেরত দেওয়া হচ্ছে, তবে তার স্ত্রী যাচ্ছে। প্রিয়ব্রতর আপত্তি এখানেই, বাসে মেয়েটি সারারাত তার পাশেই থাকবে। প্রবাদ আছে, ‘পথে নারী বর্জিতা!’ তাই কি করবে ভেবে পাচ্ছে না সে।
তাকে ইতস্তত করতে দেখে বুকিং ক্লার্ক এবার অস্বস্তি গলায় বলে উঠলাে, “ঠিক আছে, আপনি না নিলে অন্য ইচ্ছুক যাত্রীকে টিকিটটা দিয়ে দিচ্ছি। অন্যযাত্রী মানে বছর চল্লিশ বয়সের ষণ্ডমার্কা একটা লােককে দেখে মণীষা ঘাবড়ে যায়। সে এবার প্রিয়ব্রতর দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাে, আপনার তাে আজই শিলিগুড়ি যাওয়া খুবই জরুরী। তাহলে যাচ্ছেন না কেন? এখানে একটু থেমে মেয়েটি আবার বললাে, “ঠিক আছে, টিকিটের দাম বাসে উঠে দিলেও চলবে। এখন আমার সঙ্গে আসুন তাে। বাস এখনই ছেড়ে দেবে।
প্রিয়ব্রত আপত্তি করার আগেই মণীষা তার হাত ধরে একরকম জোর করেই তাকে টানতে টানতে বাসে নিয়ে গিয়ে তুললাে। টু-সিটেড আসন। মেয়েটি জানালার ধারে বসে প্রিয়ব্রতকে আহবান জানালাে বসুন!
“আপনার টিকিটের দামটা?
“আরে, পালিয়ে তাে যাচ্ছেন না, সামনে সারাটা রাত পড়ে রয়েছে, মণীষা হাসতে হাসতে প্রিয়ব্রতর হাত ধরে তাকে তার পাশে বসিয়ে দিলাে একরকম জোর করেই। মেয়েটির মধ্যে কি জাদু ছিল কে জানে, এবারেও সে কোনাে আপত্তি করতে পারলাে না।
কাটায় কাটায় ঠিক ন'টায় রকেট বাস ছেড়ে দিলাে।
রাত ন'টা শীতের রাত, রাস্তা প্রায় ফাকা। রকেট বাস, রকেটের মতাে দ্রুত গতিতে ছুটে চললাে তার গন্তব্যস্থলের দিকে। ফাকা বি টি রােডে আসতেই বাসের গতি দ্বিগুণ হয়ে গেলাে। ডানলপ ব্রীজের সামনে হঠাৎ ট্রাফিকের আলােটা লাল হয়ে উঠতেই বাসের চালক দ্রুত ব্রেক কষতেই যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে এ ওর ঘাড়ে লুটিয়ে পড়লাে।
এদিকে প্রিয়ব্রত ও মণীষার অবস্থা তথৈবচ। দু'হাত দিয়ে প্রিয়ব্রতর গলা জড়িয়ে ধরে থরথর করে কাঁপছে মণীষা। তার বুকের কাপন তখন আছড়ে পড়ছে প্রিয়ব্রতর বুকে। ওরা কতক্ষণ যে ওভাবে জড়িয়ে বসেছিল কেউ তা জানে না।
পিছনের আসন থেকে এক ছােকরা টিপ্পনী কাটল, কি দাদা, খুব লেগেছে?
এমন একটা নােংরা মন্তব্যের উত্তর দিতে ইচ্ছে হলাে না প্রিয়ব্রতর। তার বদলে অস্ফুটে মণীষার উদ্দেশ্যে বলে উঠলাে, আরে ছাড়ুন এবার। বাসের যাত্রীরা যে দেখছে...। দেখুকগে! মণীষা আরও নিবিড় করে প্রিয়ব্রতকে জড়িয়ে ধরে কপট অভিমান করে বললাে, বাসের ঝাকুনিতে আমার লাগলাে, আর ওরা রঙ্গ-রসিকতা করছে? না ওদের কথায় কান দেবেন না।
আঘাত পেয়েছে শুনে প্রিয়ব্রতর কেমন যেন একটু মায়া হলাে মেয়েটির ওপর। তাই সে মণীষার মুখের ওপর ঝুঁকে পড়ে ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করলাে, কোথায় লেগেছে?
আরও পড়ুনঃ গল্পঃ মুন্নি
এইখানে, এই বলে প্রিয়ব্রতর ডানহাতটা ধরে নিজের বুকজোড়ার মাঝখানে চেপে ধরলাে মণীষা, ছাড়তে চাইল না।
প্রিয়ব্রত ঘাবড়ে গেলাে। বাস তখন রকেটের গতিতে আবার ছুটতে শুরু করেছিল। ওদিকে বাসের যাত্রীরা আবার আগের মতাে ঘুমের কোলে ঢলে পড়েছিল তখন। প্রিয়ব্রত হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। ওরা এমন রসালাে দৃশ্য দেখলে আর রক্ষে ছিল না। রাতের জার্নি বলে বাসে মাত্র দুটি আলাে জ্বলছিল, একটা গেটের মুখে, আর একটা ঠিক ওদের আসনের পেছনে। কম পাওয়ারের আলাে হলেও মেয়েটির মুখটা বেশ স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল। অন্য আসনগুলাে প্রায় অস্পষ্ট আলােয় ডুবেছিল, তাতে একটা বাড়তি সুবিধে হলাে এই যে, দূর থেকে ওদের গতিবিধি অন্য যাত্রীদের চোখেই পড়ছে না।
তবু সাবধানের মার নেই, প্রিয়ব্রত তার হাতটা মেয়েটির বুকের ওপর থেকে তুলে নিতে গেলে মণীষা এবার আরাে জোরে চেপে ধরলাে ওর পাখীর মতাে নরম বুকের ওপরে অনুভবে বুঝলাে প্রিয়ব্রত অজান্তে তখন সে মণীষার বুকে হাত দিয়ে ফেলেছে। ব্ৰাহীন বুক। মেয়েটির স্বাস্থ্য ভীষণ ভালাে। তার ওপর বিশাল বুকের চাপে মনে হচ্ছিল ব্লাউজ না ফেটে যায়। সামনের দিকে বােতাম ব্লাউজের। ওপরের দুটি বােতাম খুলে গেছে, বুকের উপরের অনেকখানি উন্মুক্ত, আলােয় উদ্ভাসিত। সংকোচ হচ্ছিল, তাই প্রিয়ব্রত বােতাম দুটো লাগাবার চেষ্টা করতেই মণীষা তার হাত চেপে ধরে অস্ফুটে বলে উঠলাে, থাক না, আমার ও দুটো দেখতে কি তােমার খুব খারাপ লাগছে? এই দেখাে আমি তােমাকে তুমি বলে ফেললাম।
“ঠিক আছে, ও কিছু নয়।
‘না ঠিক নেই। তুমিও তাহলে আমাকে তুমি করে ডাকবে বলাে?”
মণীষা তার মনের কথাটাই বলেছিল। সেও যেন কেমন একটু একটু করে মেয়েটির প্রতি আসক্ত হয়ে উঠছিল। তাই সে আর আপত্তি করলাে না, বললাে “ঠিক আছে, তাই বলবাে। এই বলে প্রিয়ব্রত অবিন্যস্ত শালটা একহাতে তার বুকের ওপর গুছিয়ে বিছিয়ে দিলাে। ওপর হাতটা মেয়েটির বুকের ওপরেই তেমনি রাখা ছিল। এর ফলে বাসের অন্য যাত্রীরা জেগে উঠে তাদের দিকে তাকালেও তার হাতের কাজকর্ম তারা আর দেখতে পাবে না, এই ভাবে আশ্বস্ত হলাে সে। তার গতিবিধি দেখে মেয়েটি হাসলাে, স্থির চোখে তাকালাে প্রিয়ব্রতর দিকে। তুমি তাহলে এতক্ষণে সাবালক হলে?
“কি করে বুঝলে।
‘শালটা দিয়ে আমার বুক ঢেকে দিলে কেন?’ মণীষা কপট গম্ভীর মুখে বললাে, ‘একবার আমার অনুমতি নেবার প্রয়ােজন মনে করলে না?
প্রিয়ব্রত তার ব্লাউজের অবশিষ্ট বােতামগুলাে খুলতে খুলতে তেমনি রহস্য করে বললাে, এর পরেও কি তােমার অনুমতি নিতে হবে?
‘না গাে না’, মণীষা ঠোট ফোলালাে, তুমি কি ঠাট্টাও বােঝাে না?
এতে প্রিয়ব্রতর সাহস আরও বেড়ে গেলাে। ততক্ষণে ব্লাউজের সব বােতামগুলাে তার খােলা হয়ে গেছলাে। বুক পুরুষ্ট, সুগঠিত এবং সুডৌল। প্রিয়ব্রত ভালাে করে বুক দুটি তার হাতের মুঠোয় চেপে ধরে মৃদু চাপ দিতে শুরু করলাে। মণীষা হাত সরিয়ে দিলাে না।
বরং আবেগকম্পিত গলায় ফিসফিসিয়ে বললাে, আরও আরও জোরে, খুব ভাল লাগছে।” এই বলে মণীষা হঠাৎ একটা অদ্ভুত কাজ করে বসলাে, প্রিয়ব্রতর মাথাটা নিচে নামিয়ে এনে তার ঠোঁটজোড়া নিজের তপ্ত ওষ্ঠ দ্বয়ের কাছে নিয়ে এলাে। চুম্বনের জন্য মুখ তুললাে মণীষা। প্রিয়ব্রত তার মনের কথা জেনে গেছে ততক্ষণে। তাই সে তার শালটা নিজের মাথার ওপর টেনে বাকী অংশটুকু মণীষার শরীরের ওপরের অংশটুকু ঢেকে দিলাে। এখন প্রকাশ পাওয়ার মতাে ওদের শরীরের কোনাে অংশই খােলা পড়ে রইলাে না। নিশির ডাকে সম্মােহিত নারীর মতাে দেখাচ্ছিল মণীষাকে। মৃদু হাসলাে প্রিয়ব্রত, হঠাৎ আকাঙ্খিত কিছু পেয়ে যাওয়ার হাসি যেন।
এখানে এই চলন্ত বাসের মধ্যে যাত্রীরা সবই যেখানে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঘটনার এমন উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশে হঠাৎ কেমন যেন মণীষাকে ভাল লেগে গেল প্রিয়ব্রতর মণীষাকে সে আরও নিবিড় করে জড়িয়ে ধরলাে। হাতের স্পর্শে সংবহনের আরাম দিতে চাইলাে মণীষাকে। অকপট হাসিতে প্রিয়ব্রত যেন ওকে অবশ করতে চাইছে। মণীষা চুম্বনের জন্যে মুখ তুলতেই প্রিয়ব্রত ওকে ওর সেই ছােট্ট আসনে শুইয়ে ওর কোমর জড়িয়ে ধরলাে সজোরে, পােশাকের ওপর থেকেই চাপ দিলাে মণীষার তলপেটে, আর সেই অবস্থাতেই আলাে আঁধারির ছায়াঘন অবস্থায় দুটি ছায়ামূর্তি চুম্বিত হয়ে রইল।
মণীষার মনে হলাে, এই তার স্বামী। ওদিকে প্রিয়ব্রত হয়তাে কল্পনা করলাে তার বিবাহিত স্ত্রী অনুসূয়াকে, এই মুহূর্তে যাকে সে চাইছে কিন্তু পাচ্ছে না । আর এভাবেই দুটি দেহে দুটি অন্য মন তরঙ্গায়িত হলাে। বাসের সেই স্বল্পালােকে প্রিয়ব্রত মণীষার মুখের দিকে তাকিয়ে বললাে, ও এখন ওর তপ্ত ঠোটে চুম্বনের প্রত্যাশী।
প্রিয়ব্রত বাসের সেই স্বল্প পরিসরে ঠেস দিয়ে নিজের শরীরের নিচে মণীষাকে শােয়ালাে, তার দেহের ওপর নিজের দেহটাকে কোনােরকমে বিছিয়ে দিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাে সজোরে, শাড়িতে আবৃত মণীষার জঙঘায় এবং তলপেটে চাপ দিতে থাকলাে, আর সেই অবস্থাতেই সেই আলাে আঁধারিতে দুটি ছায়ামূর্তি চুম্বিত হয়ে রইলাে, চুম্বন যতক্ষণ না বিস্বাদ ঠেকলাে ততক্ষণ পর্যন্ত কেউ কারাের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাইলাে না। মণীষার মনে হলাে, এই তার স্বামী বিজন, যাকে সে শরীরী সম্পর্কে পেতে চায় কিন্তু পায় না কোনাে এক কারণে। দুটি দেহে দুটি অন্য মন তরঙ্গায়িত হতে থাকলে তাদের এতদিনের না পাওয়া আকাঙক্ষা হঠাৎ ক্ষণিকের এই প্রাপ্তিযােগ তারা এখন ভরিয়ে নিতে চাইলাে কানায় কানায়।
কিন্তু তারা এও জানে যে, এই চলন্ত বাসের মধ্যে তাদের সব আকাঙ্খার পূর্ণতাপ্রাপ্তি ঘটতে পারে না, সম্ভবও নয়। তবে যেটুকু পাওয়া যায় তাই যথেষ্ট, আর যা না পাবে পথের কামনা বাসনা সব পথেই ফেলে রেখে যেতে হবে। অনেকক্ষণ পরে মণীষার চোখে-মুখে একটা সুখ-তৃপ্তির ভাবফুটে উঠতে দেখা গেলাে। এবং প্রিয়ব্রতরও। প্রিয়ব্রতই প্রথমে মণীষার কমলালেবুর কোয়ার মতাে রসসিক্ত ওষ্ঠ দ্বয় থেকে নিজের ঠোটজোড়া বিচ্ছিন্ন করে শান্ত স্নিগ্ধ গলায় মিষ্টি সুরে বললাে, ‘এবার ছাড়।
‘আর একটু প্লিজ’, মণীষা এবার নিজের থেকে সক্রিয় হয়ে দু'হাতে প্রিয়ব্রতর গলা জড়িয়ে ধরে তার ঠোটজোড়া নিজের ওষ্ঠ দ্বয়ের মধ্যে পুরে চোষণে ব্রত হলাে। চোষণ অতি দ্রুত হলাে এবার, যেন চুম্বনে রসনার শেষ ফোটা সে চুষে নিতে চাইছে প্রিয়ব্রতর ওষ্ঠ দ্বয় থেকে। তারপর তখনকার মতাে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যেতেই সে বিচ্ছিন্ন হলাে প্রিয়ব্রতর থেকে।
আরও পড়ুনঃ গল্পঃ কেষ্ট নগরের পুতুল
“কেমন লাগলাে?’ প্রিয়ব্রতর দিকে লােলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাসি হাসি মুখে মণীষা জিজ্ঞেস করলাে।
তােমার রসালাে ঠোট, নাকি চুম্বন!’
‘দুটোই। এই বলে হাসলাে প্রিয়ব্রত। কপট অনুযােগ করে আবার বললাে, তবে মন ভরলেও দেহ কিন্তু অপূর্ণই রয়ে গেলাে।
এখন এ পর্যন্তই থাক, পথ চলা এখনও শেষ হয়নি দীর্ঘ পথ এখনও বাকী রয়েছে। মাঝেমধ্যে সুযােগ পেলে টুকটাক প্রাপ্তিযােগ ঘটলেও ঘটতে পারে, তার বেশি কিছু নয়। যেমন এই মুহূর্তে আমি তােমাকে তােমাদের অতি প্রিয় জিনিসটা খাওয়াতে পারি। ‘সেটা কি, থামলে কেন?' প্রিয়ব্রত অধীর হয়ে বললাে, “বলাে কি সেটা? আমি কি সেটা চোখে দেখতে পারি?
“না অনুভবে বুঝে নিতে হবে,' মণীষা রহস্য করে বলে তার শালের নিচে প্রিয়ব্রতর মাথাটা আড়াল করে চেপে ধরলাে নিজের বুকের ওপর। ব্লাউজের বােতাম খােলা মণীষার বুক। শালের আড়াল হলেও মণীষার লক্ষ্য কিন্তু স্থির ছিল, প্রিয়ব্রতর মুখটা সে তার আকাঙ্খিত একটা বুকের ওপর চেপে ধরলাে।
হ্যা, মণীষার খুবই প্রিয়। চোষণে দারুণ মজা।
এই অভ্যাসটা পুরুষরা তাদের জন্মলগ্ন থেকে শেখে তাদের মায়েদের কাছ থেকে। মণীষার বুকে দুধ নেই, তাতে কি হয়েছে? বাড়িতে তার র-চা খাওয়ার অভ্যাস আছে, র-চায়ে চায়ের ফ্লেভারটা ভাল পাওয়া যায়। সেই রকম বুকেও বেশ মাদী মাদী গন্ধ থাকে, হাত দিতে ভাল লাগে, শুকতে ভালাে লাগে আর চুষতে সে তাে স্বর্গসুখ লাভের মতাে। প্রিয়ব্রত আর অপেক্ষা করতে পারছিল না, পালা করে মণীষার দুটি বুক বেশ আয়েস করে চুষতে শুরু করলাে। স্ফুরিতক চুম্বনে ও চোষণে রক্তবর্ণ হলাে ওষ্ঠদ্বয়, মণীষা বুক আরও চেপে ধরলাে প্রিয়ব্রতর মুখে, চোষণে বৃষ্টি পড়া। কদমের মতাে কণ্টকিত হলাে বুকযুগল।
‘আঃ, কি চমৎকার তােমার বুকজোড়া। একবার বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রিয়ব্রত বলে উঠলাে। ‘ভাল লাগছে?' মণীষা জিজ্ঞেস করলাে।
“দারুণ!’
‘কলেজে ইকোনােমিক্সে পড়েছিলাম ‘ল অব ডিমিনিশিং-এর কথা। ভালাে জিনিষ বেশি খেলেই তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়। আর নয়, ওঠো এখন, উঃ তােমার শরীরটা কি ভারি!
এই সময় পিছনের আসনের এক যাত্রীর ঘুম ভেঙে গেলাে। তার আড়মােড়া ভাঙার শব্দ হতেই মণীষা প্রিয়ব্রতকে ঠেলা দিলাে, ‘এই ওঠো, কেউ বােধহয় জেগে উঠেছে। প্রিয়ব্রত দ্রুত মণীষার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উঠে বসলাে। ‘স্যরি!’ মণীষা মুখ টিপে হাসলাে। “দুঃখ করাে না প্রিয়, পরে আমি তােমাকে সুদে আসলে পুষিয়ে দেবাে।
‘প্রমিস?
প্রিয়ব্রতর হাতে মৃদু চাপ দিয়ে মণীষা বললাে, “হ্যা, শপথ নিলাম!” মাঝরাতে বাস এসে থামলাে মালদায়। অনেকক্ষণ থামবে এখানে।
“কিছু খাবে?’ প্রিয়ব্রত জিজ্ঞেস করলাে।
‘যা খাইয়েছ, এরপর অন্য আর কিছু খাওয়ার ইচ্ছে নেই’, রহস্যময় হাসি হেসে মণীষা বললাে, এত সব খাওয়ার পরেও তােমার খিদে পেয়েছে। ‘তেমন করে খেতে দিলে কই?’ প্রিয়ব্রতও কপট অনুযােগ করতে ছাড়লাে না। “সে তােমার দুর্ভাগ্য’, পিছনের আসনের দিকে তাকিয়ে অর্থপূর্ণ হাসি হাসলাে মণীষা। মণীষা কি বলতে চাইছে তা বুঝতে অসুবিধে হলাে না প্রিয়ব্রতর। “বেশ, অন্তত এক কাপ কফি?
‘তা মন্দ হয় না, যা শীত পড়েছে, শরীরটা একটু গরম না করে নিলে নয়!
“সে কি তুমি গরম হওনি?’ মণীষার একটু আগের রসিকতার বদলা হিসেবে বললাে, ‘এত গরম খাওয়ার পরেও ‘এ গরম সে গরম নয়। মণীষাও রসিকতা করতে ছাড়লাে না। তাছাড়া কি এমন গরম করতে পারলে তুমি?
‘সুযােগ পেলে দেখাে তােমার মধ্যে কেমন আমি আগুন জ্বালিয়ে দিই। হাসতে হাসতে বললাে প্রিয়ব্রত।
তার আগে আমিই তােমার মধ্যে আগুন ছড়িয়ে দেবাে।
না তুমি তা পারবে না, প্রিয়ব্রত এবার একটা মােক্ষম রসিকতা করলাে, “দেশলাই কাঠিটা কেবল আমার কাছেই আছে, তােমার কাছে নয়!
‘দুষ্টু কোথাকার’, মণীষা কপট ধমক দিয়ে প্রিয়ব্রতর প্যান্টের ওপর মৃদু চাপ দিয়ে বললাে, এই দেশলাইকাঠির জন্য এতাে দেমাক তােমার?
‘হ্যা অবশ্যই! আর একটা কাঠিই যথেষ্ট, তােমার সারা অঙ্গে আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে আমার এই দেশলাইকাঠিটা। তা জ্বালবাে নাকি?
‘না, না, দোহাই তােমার’, মণীষা তাকে থামিয়ে দিয়ে অনুরােধ করলাে, লক্ষ্মীটি, এখানে লঙ্কাকাণ্ড বাধিয়ে বসাে না, শিলিগুড়িতে চলাে, সেখানে তুমি যত খুশি আগুন জ্বালাও, আমার দেহ পুড়িয়ে ছাই করে দাও না কেন আমি কোনাে ভাবেই আপত্তি করবাে না।
‘কথা দিচ্ছ?
‘কেন, একটু আগেই তাে আমি তােমাকে কথা দিয়েছি। মণীষা বললাে।
‘ঠিক আছে, আমি তাহলে কফি আনতে চললাম,
‘হ্যা, তাই যাও।
কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে প্রিয়ব্রত এই প্রথম মণীষার পারিবারিক প্রসঙ্গে আলােচনা শুরু করতে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাে, “তােমার বাড়িতে কে কে আছেন?
‘স্বামী আর দত্তক নেওয়া একটি ছেলে।
‘দত্তক নেওয়া ছেলে?’ প্রিয়ব্রত একটু অবাক হয়েই জিজ্ঞেস করলাে, “কেন, তােমাদের বিবাহিত জীবনের কোনাে ফসল তুলতে পারােনি?
‘অনেক দুঃখের সঙ্গে বলছি, আমার স্বামী ইমপােটেন্ট, বাবা হওয়ার অযােগ্য। “তাই বুঝি? প্রিয়ব্রত দুঃখ প্রকাশ করলাে, ‘আমি দুঃখিত।
“না, না এতে দুঃখ পাওয়ার কি আছে?' বিষগ্ন গলায় মণীষা বললাে, “এ আমার দুর্ভাগ্য। আর তাই তাে তােমার মতাে একজন ভাল বন্ধু পেয়ে আমি লােভ সামলাতে পারিনি। আমার কথা থাক, এখন তােমার কথা বলাে। তােমার বিবাহিত জীবন কি রকম বলাে।
স্ত্রীও একটি বছর তিনেকের ছেলে নিয়ে আমার সংসার বেশ সুখেই কাটছিল, কিন্তু ভগবান বােধহয় সব সুখ একসঙ্গে দেন না। তা না হলে আমার স্ত্রী হঠাৎ পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে পড়বে কেন বলনা? প্রায় এক বছর হলাে, স্ত্রীর সঙ্গে আমার শারীরিক কোনাে সংযােগ নেই। আর তাই বােধহয় আজ হঠাৎ তােমার এমন মধুর সঙ্গ পেয়ে আমি একটু বেহিসেবিপনা করে ফেলেছি।
‘না, না এটাইতাে প্রকৃতির ধর্ম, নারী পুরুষ একত্রিত হলে এমনি হয়। তুমি এমন কিছু বেহিসেবিপনা করােনি। আমার বিশ্বাস, শিলিগুড়িতে গিয়ে আমি অতৃপ্ত জীবনে আরও বেশি করে তৃপ্তি আনতে পারবাে। স্বামী নেই, ওখানে গিয়ে তুমি আমার বাড়িতেই উঠবে। আমার ছেলে বেলা এগারােটায় ফিরে আসে, আশা করি তার আগেই তােমাকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিয়ে ফেরাতে পারবাে।
আরও পড়ুনঃ গল্পঃ আমরা তিন প্রেমিক ও ভুবন
সকাল হতেই রকেট বাস এসে পৌঁছলাে শিলিগুড়িতে। কালবিলম্ব না করে বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রিয়ব্রতকে সঙ্গে নিয়ে মণীষা সােজা তাদের হিলকার্ট রােডের বাড়িতে। ফিরে এলাে। তখন বেলা প্রায় নটা বাড়ি ফাকা। ছেলেকে স্কুলে নিয়ে গেছে কাজের মেয়ে শান্তি, তাকে একবারে নিয়েই ফিরবে এগারােটার পর। এই দু'ঘণ্টা, ন'টা থেকে এগারােটা তাদের মিলনের স্বর্গরাজ্য বলে মনে করলাে মণীষা।
এত বড় বাড়িতে তারা দু’ জন এখন। টয়লেট থেকে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিলাে তারা। টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে মৃদু হাসলাে প্রিয়ব্রত, বিজয়ীর হাসি। আর এখানে এই নির্জন বাড়ির মধ্যে হঠাৎ কেমন যেন ভালাে লেগে গেলাে মণীষার প্রিয়ব্রতকে। ওর কাছে গিয়ে ওর খােলা প্রশস্ত বুকে হাত রাখলাে, কাধের পেশীতে হাত বােলালাে, তারপর গলা জড়িয়ে ধরলাে। বাহাতের স্পর্শে সংবাহনের আরাম দিতে চাইলাে প্রিয়ব্রতকে।
প্রিয়ব্রত হাসছে। কপট হাসিতে প্রিয়ব্রত যেন ওকে অবশ করে দিতে চাইছে। মণীষা ভাবছে, এই সময় হঠাৎ যদি ওর স্বামী এসে হাজির হয় ওদের এভাবে মিলিত হতে দেখে দেখুক। একটা ক্লীবকে ও আর ভয় পাবে না, ও এখন ওর মনের মানুষের সন্ধান পেয়ে গেছে। প্রিয়ব্রতকে কথা দিয়েছে ও। কথা রাখতে উদ্যোগী হলাে মণীষা। যেন ওর পুরুষ কৌমার্য হরণ করছে এমনভাবে প্রিয়ব্রতকে সজোরে নিজের দিকে অকর্ষণ করলাে মণীষা, ওকে ঘর্ষণ করলাে নিজের দেহে, তারপর প্রিয়ব্রতর পরনের পােশাক টেনে খুললাে, হাত দিয়ে অনুভব করলাে ওর উদ্যতা রিরংসার ফলা, ছাড়লাে না মুঠোয় ধরে রইলাে।
প্রিয়ব্রত অস্ফুটে বলে উঠলাে, “কি সুন্দর বুক তােমার মণীষা!” আর তােমার এই সােনারকাঠিটাও কম সুন্দর নয় প্রিয়ব্রত, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে আমার স্বামীরটার থেকে দ্বিগুণ, যেকোনাে মেয়ের কাছে এটা লােভনীয়।
প্রিয়ব্রতর সারা শরীর টান-টান হয়ে উঠেছে। সত্যিকার পুরুষমানুষ। উপযুক্ত শৃঙ্গার আবিষ্কার করতে চায় প্রিয়ব্রত। টের পেয়েছে মণীষার তৃপ্তি-সাধন খুব সহজ নয়। তাই শৃঙ্গারে ওকে অবশ না করলে শুধু সােনারকাঠির স্পর্শে ওর রাগমােচন হবে না। ওর দেহ বেয়ে খানিকটা নামলাে প্রিয়ব্রত মণীষার বুকের অগ্রভাগে মণ্ডলীকার কালাে দাগযুক্ত জায়গায় মুখ রাখলাে, লেহন করলাে বুক, উৎফুল্ল বুকের খানিকটা মাংস দুই পাটির সবগুলাে দাঁত দিয়ে বৃত্তাকারে গ্রহণ করে মৃদু চাপ দিলাে।
এক বুক থেকে প্রিয়ব্রতর মাথাটা তুলে আর এক বুকে আনলাে মণীষা এবং বললাে, এটাকেও একুট দেখাে! মণীষার নিঃশ্বাসে হাল্কা, নাকের পাটা ফুলছে, কথা জড়িয়ে আসছে, কোমল নীচের অংশ আদ্র হচ্ছে। মণীষার নাভিমূলে হাত বুলােলাে প্রিয়ব্রত। একটু একটু করে আরও নিচে উরুসন্ধিতে উত্তাপ অনুভব করলাে, হাতের স্পর্শে দুই উরু প্রসারিত করলাে মণীষা।
আবেগকম্পিত গলায় বললাে, আর পারছিনে। নিতম্ব ওপর দিকে বার বার ঠেলে তুলতে মণীষা ওর ত্রিভুজে বিদ্ধ করাতে চাইছে প্রিয়ব্রতর সােনার কাঠি, দু'হাতে ওর পুরুষকঠিন পশ্চাদভাগ টেনে আনছে নিজের কাকালের দিকে। প্রিয়ব্রত বেশ বুঝতে পারছে মণীষার চোখ মুখ উগ্র সঙ্গমেচ্ছায় বিস্তারিত, স্নায়ুমণ্ডলী উত্তেজিত। উত্তুঙ্গ উত্তেজনার মুহূর্তে দু’হাত মণীষার কোমর জড়িয়ে ধরেচাপ দিয়ে ওকে ওপরের দিকে টানলাে প্রিয়ব্রত, যুক্ত হলাে দেহে দেহে প্রবিষ্ট হলাে মণীষার মধ্যে। মণীষা অধীর আনন্দে বলে উঠলাে, ‘আ’!
কি সুন্দর তােমার ত্রিভুজ মণীষা।
ভাল লাগছে? আরও জোরে...।
কিন্তু প্রিয়ব্রত তাড়াহুড়াে করছে না, দেহে দেহে দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে নিস্ক্রিয় প্রিয়ব্রত আবেশে চোখ বুজে উপভােগ করছে। ওদিকে মণীষা আর স্থির থাকতে পারছে না। কেমন নির্লজ্জের মতাে বললাে, “ওঃ আর একটু, আর একটু...'
এবার সক্রিয় হলাে প্রিয়ব্রত এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই ওর উত্তাপে জারকরস বিন্দু বিন্দু হয়ে ঝরে পড়তে থাকলাে মণীষার দেহের অভ্যন্তরে। দুজনেরই এক সঙ্গে রাগমােচন হলাে। আর অবসন্ন দুটি দেহে ওই অবস্থায় পড়ে রইলাে আরও কিছুক্ষণ। মণীষার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে টয়লেট গিয়ে ঢুকলাে প্রিয়ব্রত, মণীষাও অনুসরণ করলাে ওকে। এ ওর মিলনজনিত সমস্ত ক্লেদ, ময়লা ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলাে। টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে প্রিয়ব্রত ঘড়ির দিকে তাকালাে, সাড়ে দশটা। বললাে, ‘তােমার ছেলের ফেরার সময় হয়ে এলাে, এবার যাই।
‘আবার কবে দেখা হবে?’ মণীষার চোখে আকুতির ছায়া পড়ে।
‘আবার দেখা কেন, এই তাে ভালাে, মৃদু হেসে প্রিয়ব্রত বললাে, পথের দেখা পথেই তো শেষ হলে ভালাে হয়, তাই না।
মণীষা ফ্যালফ্যাল করে প্রিয়ব্রতর গমন পথের দিকে তাকিয়ে রইলাে। কি উত্তর দেবে ও? এই মুহূর্তে ওর সারা দেহ-মনে প্রিয়ব্রতর সুখ-স্মৃতি জড়িয়ে আছে, অন্য কথা ভেবে সেটা ও মুছে দিতে চাইলাে না।
(সমাপ্ত)
অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন কিভাবে বাড়ানো যায়?
অ্যান্ড্রোজেন বা অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন হল সে সকল প্রাকৃতিক স্টেরয়েড হরমোন, যেগুলো মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে পুরুষদের এন্ড্রোজেন রিসেপ্টর বন্ধিত করতে কাজ করে| এটি পুরুষের যৌনাঙ্গ গঠন এবং গৌন শারীরিক বৈশিষ্ট গঠনে কাজ করে। পুরুষদের প্রধান এন্ড্রোজেন হল টেস্টোস্টেরন।
টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোর জন্য এখানে কিছু পদ্ধতি দেয়া রয়েছে।
- ব্যায়াম এবং অনুশীলন
ব্যায়াম এবং অনুশীলন জীবনযাত্রা সম্পর্কিত রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মজার বিষয় হল এটি আপনার টেস্টোস্টেরনকেও বাড়িয়ে তুলতে পারে। - খাওয়া প্রোটিন এবং ফ্যাট
আপনার কি খাওয়া হয়েছে, এটি টেস্টোস্টেরন হরমোনের উপর প্রভাব ফেলে।
অতএব, আপনর মনোযোগ দিতে হবে আপনার দীর্ঘমেয়াদী ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া এবং খাদ্য কৌশলে। - স্ট্রেস হ্রাস করুন
গবেষণা সর্বদা দীর্ঘমেয়াদী চাপের বিপদগুলিকে হাইলাইট করে যা এই হরমোনের জন্য বিপদজনক। তাই চাপ হ্রাস করুন। - ভিটামিন ডি পরিপূরক নিন
- ভিটামিন ডি দ্রুত বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ভিটামিন হয়ে উঠছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকার রয়েছে এবং এটি প্রাকৃতিক টেস্টোস্টেরন বুস্টার হিসাবেও কাজ করতে পারে।
- প্রচুর পরিমাণে রেস্ট নিন এবং ঘুমান
ডায়েট এবং ব্যায়ামের মতোই ঠিক গুরুত্বপূর্ণ রেস্ট এবং ঘুম। এটি আপনার টেস্টোস্টেরনের মাত্রায়ও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। - একটি সুস্থ জীবনধারা অনুসরণ
একটি সুস্থ যৌন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আলকোহল, ধুমপান এবং অন্যান্য খারাপ নেশা থেকে বিরত থাকুন।
ধন্যবাদ
হরমোন কত প্রকার ও কী কী? কোন হরমোনের কোন কাজ?
জীববিজ্ঞান" অনেকের মুখেই শুনেছি এটা খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়। কিন্তু আমার কাছো বেশ ইন্টারেস্টিং লাগে। আসলে আমরা যা পারি না তা-ই কঠিন মনে হয়। আচ্ছা বেশি ঢোল না বাজিয়ে আসল প্রশ্নের উত্তরটা তাহলে দিই।
হরমোনঃ নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে। একটু পরিষ্কার করে বলি, জীবদেহের এক বিশেষ ধরনের নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস, যেহেতু নালি নেই তাই রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হবে এবং দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করবে। আর এটাই হলো হরমোন।
হরমোনের প্রকারভেদঃ মানবদেহে সর্বমোট ৫০টি হরমোন থাকে। আমার সবগুলো সম্পর্কে জানা নেই তবে কিছু মুখ্য নালিবিহীন গ্রন্থির পরিচিতি,কাজ ও নিঃসৃত হরমোনের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলোঃ
হরমোনে কিছু প্রকাভেদ এবং তাদের কাজঃ
- পিটুইটারি গ্রন্থিঃ মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত নালিবিহীন গ্রন্থিটি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন মানবদেহের বৃদ্ধি ঘটায়। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম হলোঃ গোনাডোট্রোপিক, সোমাটোট্রোপিক,থাইরয়েড উদ্দীপক হরমোন (TSH), এডরেনোকর্টিকোট্রপিন।
- থাইরয়েড গ্রন্থঃ গলার ট্রাকিয়ার উপরের অংশে অবস্থিত গ্রন্থি হলো থাইরয়েড। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় থাইরক্সিন হরমোন। যা সাধারণত মানবদেহে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিঃ মানবদেহে এ গ্রন্থির সংখ্যা ৪টি,যার সবগুলোই থাইরয়েড গ্রন্থির পিছনে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত প্যারাথরমোন মূলত ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
- থাইমাস গ্রন্থিঃ থাইমাস গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। এর থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো-থাইমোসিন। যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিকাশে সাহায্য করে।
- অ্যাডরেনাল বা সুপ্রারেনাল গ্রন্থিঃ এই গ্রন্থি কিডনির উপরে অবস্থিত। এটি মূলত কঠিন মানসিক ও শারীরিক চাপ থেকে পরিত্রাণে সাহায্য করে। এর থেকে নিঃসৃত হরমোনগুলোর একটি হলো- অ্যাডরেনালিন।
- আইলেটস অফ ল্যাংগারহ্যানসঃ ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন নামক হরমোন যা এই গ্রন্থিটি থেকে নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থিটির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এটি শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
- গোনাড বা জনন অঙ্গ গ্রন্থিঃ জনন অঙ্গ থেকে নিঃসৃত হরমোন দেহের পরিণত বয়সের লক্ষণগুলো বিকশিত করতে ভূমিকা রাখে। জনন অঙ্গ থেকে পরিণত বয়সের পরুষ-দেহে টেস্টোস্টেরন এবং স্ত্রী-দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপন্ন হয়।
৫ অভ্যাসই আপনার হাড়ের সর্বনাশ করছে
দৈনিকসিলেটডেস্ক: বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন, কেবল বয়স হলেই হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা বা আর্থ্রাইটিস দেখা দেয়। সেইসঙ্গে সকলকেই জীবনের একটা পর্যায়ে এসে এই সমস্যায় ভুগতে হবে বলেও মনে করেন অনেকে। কিন্তু আমাদের আশেপাশে এমন অনেক বয়স্ক ব্যক্তিকেও দেখা যায় যারা হাড়ের সমস্যা বা জয়েন্টের ব্যথায় ভোগেন না। এর থেকেই বোঝা যায় যে, শুধু বয়সের কারণেই হাড় বা জয়েন্টের সমস্যা হয় না।
আমাদের দৈনন্দিন এমন অনেক বদভ্যাস আছে, যা হাড় দুর্বল করে তোলে এবং জয়েন্টের সমস্যা তৈরি করে। এই অভ্যাসগুলি পরিবর্তনের মাধ্যমে হাড়ের সমস্যা প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা সম্ভব।
১) ধূমপান: ধূমপান শরীরের টিস্যুগুলিতে ফ্রি রেডিক্যাল উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এটি কেবলমাত্র ফুসফুসের জন্যই খারাপ নয়, পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
যারা নিয়মিত ধূমপান বা তামাক ব্যবহার করেন, তাদের হাড়ের ঘনত্ব তুলনামূলক কম থাকে। কারণ, ফ্রি রেডিক্যাল হাড় সৃষ্টিকারক কোষগুলিকে ধ্বংস করে দেয়।
এছাড়া, ধূমপানের ফলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ক্যালসিটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমে। কর্টিসল হাড়ের স্টক কমাতে পরিচিত এবং অন্যদিকে ক্যালসিটোনিন এটি বজায় রাখে। এছাড়া, হাড়ে ফ্র্যাকচার হলে ধূমপান রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে নিরাময় প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। সুতরাং হাড় ভালো রাখতে চাইলে ধূমপান ছাড়তে হবে।
২) একভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা: আপনি কী জানেন, একভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা দ্রুত হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। পেশী সংকোচন হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে। তাই হাড়ের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত হাঁটা কিংবা ওয়েটলিফটিং করা বা অন্যান্য এক্সারসাইজ হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
৩) অত্যধিক মদ্যপান করা: ধূমপানের মতোই অত্যধিক মদ্যপানও শরীরে কর্টিসলের উৎপাদনকে বৃদ্ধি করে, যা বোন স্টক নষ্ট করে দেয়। তাছাড়া, অ্যালকোহলের সেবন শরীরে টেস্টোস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেনের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। এই হরমোনগুলি হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪) অত্যধিক লবণাক্ত খাবার গ্রহণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে, অত্যাধিক লবণ বা লবণযুক্ত খাবার খাওয়া হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস করতে সক্ষম। অত্যধিক মাত্রায় সোডিয়াম গ্রহণের ফলে, শরীর প্রস্রাবের মাধ্যমে বেশি মাত্রায় ক্যালসিয়াম নিঃসরণ করে, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকর।
গবেষণা অনুসারে, একজন নারী যদি নিয়মিত মাত্র এক গ্রাম অতিরিক্ত সোডিয়াম বেশি গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি প্রতি বছর তার হাড়ের ঘনত্বের ১ শতাংশ হারিয়ে ফেলতে পারেন।
তাই বিশেষজ্ঞরা দৈনিক ২৩০০ মিলিগ্রামের কম সোডিয়াম গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যদিও বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি খাওয়া উচিত নয়।
৫) সারাদিন ঘরের ভেতরে থাকা: হাড় শক্তিশালী করার জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড় কিন্তু পাতলা এবং ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি এর উৎস হল সূর্যালোক। সূর্যালোক শরীরের সংস্পর্শে এলে ভিটামিন ডি প্রস্তুত করে।
তাই সারাদিন ঘরের ভিতরে না থেকে কিছু সময়ের জন্যও যদি বাইরে সূর্যালোকের নীচে বেরোনো যায়, তাহলে তা হাড়ের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। আপনি যদি বাইরে পর্যাপ্ত সময় ব্যয় না করেন, তবে আপনার শরীরে এই পুষ্টির অভাব হতে পারে।
তবে একান্তই যদি বাইরে বেরোনোর সুযোগ না পান, তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন – স্যালমন, ডিমের কুসুম, অন্যান্য খাদ্য রাখার চেষ্টা করুন।
প্রতিদিন জিম কী ক্ষতি করছে আপনার?
দৈনিকসিলেটডেস্ক: অফিস শেষেই গলদঘর্ম হয়ে ছুটছেন শারীরিক কসরতের উদ্দেশে। প্রতিদিনের এই শরীরচর্চায় নিজেই নিজের ক্ষতি করে ফেলছেন না তো?
চিকিৎসকরা বলছেন, ২০ থেকে ২৫ বছর আগে,৩০ বছর বা তার কম বয়সী মানুষের মধ্যে হার্ট এটাকের কেস খুব কমই পাওয়া যেত। এখন এই বয়সেও হার্ট এটাক করছেন অনেকে। এর একটি বড় কারণ অতিরিক্ত শারীরিক কসরত।
চিকিৎসকরা বলেন, জিমের ভাল এবং খারাপ দুটি দিকই রয়েছে। এটি নির্ভর করে আপনি কীভাবে জীম করছেন তার ওপরে।
জিম করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখার কথা বলেন চিকিৎসকরা। প্রথমত কখনই অতিরিক্ত ব্যায়াম করা যাবেন না। ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য একটি ওয়ার্ম আপ, এরপর ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম। আবারও ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় ধরে শরীর ঠাণ্ডা করতে হবে।
আর অবশ্যই সপ্তাহের প্রতিদিন জিম করা যাবেনা। সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে একদিন অথবা দুই দিন বাদ দিয়ে জিম করতে পারেন।
আর ব্যায়ামের সময় যদি বুকের বাম দিকে ব্যথা অনুভব হয় এবং জয়েন্টগুলোতে ব্যথা হয়, তবে তা মোটেও উপেক্ষা করা উচিত নয়।
বিশেষ করে যদি পরিবারে হার্ট অ্যাটাকের হিস্ট্রি থাকে, সেক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকা উচিত।
ওজন কমানোর জন্য ডায়েট ও শরীরচর্চা করতে হবে ঠিকই কিন্তু তাই বলে, প্রথমেই বেশি চাপ নেওয়া যাবে না। বরং প্রথমে ফ্রি হ্যান্ড, স্ট্রেচিং এসব বেশি করে করতে হবে।
Vivo Y20 2021| Vivo Bangladesh
| Vivo Y20 |
Body
Dimensions: 164.41×76.32×8.41mm
Weight: 192g

Price
13,990 BDT
Basic
Processor
Helio P35
RAM
4GB
Storage
64GB
Color
Nebula Blue / Obsidian Black
Battery
5000mAh (TYP)
Operating System
Funtouch OS 11
Display
Screen
6.51-inch
Resolution
1600*720(HD+)
Type
IPS
Touch Screen
Capacitive multi-touch
Camera
Camera
Front 8MP/Rear 13MP+2MP+2MP
Aperture
Front f/1.8 (8MP)、Rear f/2.2 (13MP) + f/2.4(2MP)+ f/2.4(2MP)
Flash
Rear flash
Scene Modes
Portrait, Photo, Video, Panorama, Live Photo, Time-Lapse,DOC
Connectivity
Wi-Fi
2.4GHz /5GHz
Bluetooth
Bluetooth 5.0
USB
Micro USB (USB 2.0)
GPS
Supported
OTG
Supported
FM
Supported
Network
SIM Slot Type
2 Nano SIM + 1 Micro SD
Standby Mode
Dual SIM and Dual Standby
2G GSM
B3/5/8
3G WCDMA
B1/5/8
4G FDD_LTE
B1/3/5/7/8
4G TDD_LTE
B38/40/41
Sensors
Accelerometer
Supported
Ambient light sensor
Supported
Proximity Sensor
Supported
E-compass
Supported
Fingerprint
Supported
Gyroscope
Virtual
Media
Audio Playback
WAV, MP3, MP2, AMR-NB, MIDI, Vorbis, APE, FLAC
Video Playback
MP4, 3GP, AVI, MKV, FLV
Video recording
MP4
Voice Recording
Supported
Location
GPS, BeiDou, GLONASS, Galileo
In the box
Y20 2021
Documentation
USB
USB Power Adapter
SIM Ejector
Protective Case
Protective Film (applied)
Samsung Galazy A13 5G: ভালো ক্যামেরা ও বড় ব্যাটারির দুর্দান্ত ফোন
| Samsung Galazy A13 5G |
Samsung Galaxy A13 5G MORE PICTURES
6.5"
720x1600 pixels
50MP
1080p
4GB RAM
Dimensity 700 5G
5000mAh
Li-Po
Released 2021, December 03
195g, 8.8mm thickness
Android 11, One UI
64GB storage, microSDXC
27%
144,075 hits 37
Become a fan
Read opinions
Compare
Pictures
Related phones
Network
Technology GSM / HSPA / LTE / 5G
Launch
Announced 2021, December 02
Status Available. Released 2021, December 03
Body
Dimensions 164.5 x 76.5 x 8.8 mm (6.48 x 3.01 x 0.35 in)
Weight 195 g (6.88 oz)
Build Glass front, plastic back, plastic frame
SIM Nano-SIM
Display
Type PLS TFT, 90Hz
Size 6.5 inches, 102.0 cm2 (~81.1% screen-to-body ratio)
Resolution 720 x 1600 pixels, 20:9 ratio (~270 ppi density)
Platform
OS Android 11, One UI
Chipset MediaTek MT6833 Dimensity 700 5G (7 nm)
CPU Octa-core (2x2.2 GHz Cortex-A76 & 6x2.0 GHz Cortex-A55)
GPU Mali-G57 MC2
Memory
Card slot microSDXC (dedicated slot)
Internal 64GB 4GB RAM
Main Camera
Triple 50 MP, f/1.8, 26mm (wide), PDAF
2 MP, f/2.4, (macro)
2 MP, f/2.4, (depth)
Features LED flash, panorama, HDR
Video 1080p@30fps
Selfie Camera
Single 5 MP, f/2.0, (wide)
Video 1080p@30fps
Sound
Loudspeaker Yes
3.5mm jack Yes
Comms
WLAN Wi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac, dual-band, Wi-Fi Direct, hotspot
Bluetooth 5.0, A2DP, LE
GPS Yes, with A-GPS, GLONASS, GALILEO
NFC Yes
Radio Unspecified
USB USB Type-C 2.0
Features
Sensors Fingerprint (side-mounted), accelerometer, gyro, compass, barometer
Virtual proximity sensing
Battery
Type Li-Po 5000 mAh, non-removable
Charging Fast charging 15W
Misc
Colors Black
Models SM-A136U, SM-A136U1
SAR 1.27 W/kg (head) 0.58 W/kg (body)
Price About 220 EUR
User opinions and reviews
Anonymous
It's not exactly comparable, non-flagship phones are not all the same. M02 is super-budget low end (28nm processor, 2GB ram), A13 5g is low-mid range, it's equivalent to the Redmi Note series.





