Friday, 29 October 2021

মার্কেটপ্লেসে বেশি কাজ পাওয়া ৮ উপায়

 

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে এসে আপনারা খুব ভালোভাবে জানেন কাজ পাওয়ার জন্য ও ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রোফাইল বা প্রপোজালের গুরুত্ব কতখানি। এ লেখায় আরও বেশিমাত্রায় কাজ পাওয়ার উপযোগী ৮টি উপায় তুলে ধরা হয়েছে। নতুন কাজে বিড করার আগে আপনার প্রথম কাজ হলো, এই ৮টি উপায় ভালোভাবে পড়ে নিজেকে তৈরি করা। কাজ পাওয়ার উপায়গুলো হলো : 

মার্কেটপ্লেসে
মার্কেটপ্লেসে 

০১. ইউনিক প্রোফাইল তৈরি করা :

অনেকের প্রোফাইল ব্যক্তিগত তথ্যে সাজানো থাকে, যা গ্রাহকের কাছে উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। এরা দেখতে চায়, আপনি এদের কাজ করার যোগ্যতা রাখেন কি না। এরা আপনার কাছে এদের সমস্যার সমাধান জানতে চায়। আপনার কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রমাণ করুন অন্যান্য প্রতিযোগীর তুলনায় আপনি বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন। প্রমাণ করুন এ ধরনের কাজে আপনি সফল।

প্রোফাইলে আপনার অর্জিত সফলতাগুলো তুলে ধরুন। যেমন- সাবেক গ্রাহকের কাজের বিস্তারিত, আপনার অভিজ্ঞতা, কাজ থেকে পাওয়া শিক্ষা, পুরস্কার, সাফল্য, প্রশংসাপত্র ইত্যাদি। উল্লেখ করুন, আপনি যদি কোনো ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে থাকেন অথবা বিশেষ কোনো কোম্পানিতে কাজ করেছেন অথবা আপনার কাজের ক্ষেত্রে অর্জিত বিশেষ সাফল্য। যেমন- বিখ্যাত কোনো পত্রিকায় আপনার লেখা আর্টিকল, আপনার ডিজাইন করা ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বা আপনার তৈরি করা ভিডিওর ব্যাপক প্রসারতা। এসব কিছুই আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ, দক্ষতা, সাফল্য প্রকাশ পায়।

সার্ভিস ডেসক্রিপশন এবং কিওয়ার্ড সেকশনের প্রতি অনেক বায়ারেরই আকর্ষণ থাকে। তাই সময় নিয়ে এই দুটো বিভাগ পূরণ করুন। সবশেষে সফল ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইলগুলো ভালোভাবে দেখুন।

০২. আদর্শ ক্লায়েন্ট প্রোফাইল তৈরি করা :

অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে, যারা সব কাজেই বিড করে, পারুক বা না পারুক। এটা ভুল, এতে সময় নষ্ট হয়। আপনি হয়তো একবার লক্ষ্যভেদ করতে পারবেন, কিন্তু তাতে আপনার সময়, টাকা, সম্মান সবই যাবে। জবে বিড করতে করতে তৈরি করুন একটি ক্লায়েন্ট প্রোফাইল। এটি আপনাকে যেসব ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে চান, তাদের সম্পর্কে ধারণা দেবে। কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে এ ধরনের ক্লায়েন্টদের খুঁজে পাওয়া যাবে। যেমন- আদর্শ ক্লায়েন্টের সার্বিক অবস্থা কি? (বয়স, লিঙ্গ, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আয়ের প্রমাণ)। কি ধরনের প্রতিষ্ঠানে এরা কাজ করে? এদের প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিসর কেমন- বড়, মধ্যম, ছোট? এরা কি লাভজনক বা অলাভজনক খাতে কাজ করে? কোন ধরনের মার্কেটে তাদের প্রতিষ্ঠান কাজ করে? কেন আপনি এ ধরনের গ্রাহকের সাথে কাজ করতে চান? কী ধরনের কাজ এরা করায়? এদের বাজেট-সীমা কত? কী ধরনের গ্রাহক আপনার টার্গেট করা সাফল্য পেতে সাহায্য করবে?

একবার যখন আপনি একজন আদর্শ ক্লায়েন্টের স্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন, তখন শুধু এদিকেই মনোযোগী হতে পারবেন। সব কাজে বিড করার প্রয়োজন হবে না। এতে আপনার সময় বাঁচবে।

০৩. দারুণ একটি প্রপোজাল তৈরি করা :

মনে রাখবেন, এখানে আপনার যোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত করছেন, তাই ক্লায়েন্টের চোখে এক নজরেই আপনাকে যোগ্য মনে করানোটাই সাফল্যের প্রথম চাবিকাঠি। কাট-কপি-পেস্ট করে প্রপোজাল তৈরি করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এটি আপনার প্রতি ক্লায়েন্টদের বিরূপ ধারণা তৈরি করবে। একটি সঠিক প্রোপোজালে যা যা থাকতে হবে- কাজটি সম্পর্কে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা। ক্লায়েন্টের কোনো সাজেশন জানতে চাওয়া। যদি ক্লায়েন্টের মত অনুযায়ী কাজটির ক্ষেত্র সঠিক না হয়, তবে তা ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে দেয়া। কোন বিষয় পরিবর্তন করলে কাজটি সুন্দর হবে সেই অভিমত দেয়া যায়। আপনি কীভাবে কাজটি করবেন তার নমুনা দেয়া। কাজটি সম্পন্ন করতে আপনার কতদিন লাগবে। আপনার করা এ ধরনের কাজের উদাহরণ। এই বিষয়গুলো যদি আপনার প্রোপোজালে গুছিয়ে লেখা থাকে তবে ক্লায়েন্ট বুঝবে আপনি কাজ জানেন, ব্যবসায় বোঝেন, তার কাজের জন্য আপনিই উপযুক্ত। মনে রাখবেন, বায়াররা আপনার থেকে তাদের সমস্যা এবং লক্ষ্য নিয়ে চিন্তা করতে বেশি আগ্রহী। তাই প্রপোজালটি আপনার নিজস্ব কথা দিয়ে না সাজিয়ে ক্লায়েন্টের সমস্যা এবং তার সমাধানের পরিকল্পনা দিয়ে সাজান। যদি আপনি তা করতে পারেন, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইল দেখতে আসবে।

০৪. স্কিল টেস্ট দেয়া :

ইল্যান্সের এক সার্ভেতে দেখা গেছে, ৭৭ শতাংশ ক্লায়েন্ট স্কিল টেস্টের রেজাল্ট দেখে এবং ভালো রেজাল্টের অধিকারী ফ্রিল্যান্সারদের তাদের কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি প্রায় ৫ জন ক্লায়েন্টের ৪ জনই করে থাকে। তাই যত বেশি সম্ভব স্কিল টেস্ট দেয়া উচিত অবশ্যই আপনার কাজের ক্যাটাগরিতে। এছাড়া ইংরেজি বিষয়ে অনেক ধরনের টেস্ট আছে, সেগুলো বেশি করে দেয়া উচিত।

০৫. গ্রুপে জয়েন করা :

ইল্যান্স গ্রুপে জয়েন করার মাধ্যমে আপনার পেশাগত দক্ষতা বিভিন্ন পৃষ্ঠপোষক কোম্পানি, যেমন- এডোবি ফটোশপ, মাইক্রোসফট এক্সেলের মাধ্যমে হয়। গ্রুপে আপনার প্রোফাইল শো করলে আপনাকে বায়ারদের খুঁজে নিতে এটি সাহায্য করবে।

০৬. দ্রুত কার্যকর হওয়া :

যখনই আপনি একটি কাজ দেখলেন যেটি আপনার কাজের ক্ষেত্র ও দক্ষতার সাথে মিলে যাচ্ছে, তখনই দ্রুত আপনার প্রপোজাল তৈরি করুন সঠিকভাবে। এরপর বিড করুন। যত দ্রুত রেসপন্স করবেন, আপনার প্রপোজালটি ক্লায়েন্টের চোখে পড়ার সম্ভাবনা ততই বেশি। ক্লায়েন্ট যদি আপনাকে ইন্টারভিউর জন্য ডাকে, তবে দ্রুত সাড়া দিন।

০৭. নিজের মর্যাদা বজায় রাখা :

এখনও পর্যন্ত ইল্যান্সের সার্ভেতে দেখা গেছে, ফিডব্যাক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ৫ স্টার ফিডব্যাক পেতে হলে আপনার কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে, গ্রাহকের সাথে ভালো আচরণ এবং নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। অযথা গ্রাহককে আপনার কোনো কথা বা আচরণ দিয়ে বা গ্রাহক যখন যোগাযোগ করবে তাতে সাড়া না দিয়ে নিজের মর্যাদা নষ্ট করবেন না। এতে গ্রাহক বিরক্ত হয়ে খারাপ ফিডব্যাক দিতে পারে অথবা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারে। ফলে আপনার প্রোফাইলটি হারাতে পারেন চিরতরে।

০৮. সবসময় কানেক্টেড থাকা :

গ্রাহক প্রকল্প সম্পর্কে আপনার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যেকোনো তথ্য দিয়ে সাহায্য করে প্রকল্প সম্পন্ন করার প্রতিই বেশি আগ্রহী থাকে। তাই গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনার কাছে ইন্টারনেট সংযোগসহ মোবাইল থাকে, তাহলে ই-মেইলের মাধ্যমে ইল্যান্সের সাথে সংযুক্ত থাকুন, যাতে ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে মেইল করার সাথে সাথে তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এই নিয়মগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে মেনে চলতে পারেন, সাফল্য আপনার হাতে ধরা দেবেই। এখন আপনার কাছে আছে ৮টি দারুণ উপায়। এগুলো কাজে লাগান এবং আরও বেশি কাজ পাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠুন

পিন্টারেস্ট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন কি

 পিন্টারেস্ট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন

পিন্টারেস্ট! আমেরিকা সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়া। আপনার বিজনেস জন্য হতে পারে বেস্ট একটি সোশ্যাল মিডিয়া। ২০০৯ সালে ডিসেম্বর মাসে পিন্টারেস্ট তৈরি করা হয়। Ben Silbermann, Paul Sciarra, Evan Sharp এই তিন জন মিলে পিন্টারেস্ট তৈরি করেন। বর্তমানে ৪৭৮ মিলিয়ন এক্টিভ ব্যবহারকারী আছে পিন্টারেস্টে।

পিন্টারেস্ট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন
পিন্টারেস্ট মার্কেটিং


ওয়েবসাইট র‍্যাংকিং দিক দিয়ে বিশ্বের ১৪ নাম্বার অবস্থান পিন্টারেস্ট। আপনার বিজনেস জন্য বিশাল একটা জায়গা করে রাখবে পিন্টারেস্ট। প্রায় ছোট বড় সকল বিজনেস পিন্টারেস্ট থেকে ট্রাফিক নিয়ে আসে। আপনার ব্যবসা জন্য পিন্টারেস্ট হতে পারে অন্যতম একটি উৎস। পিন্টারেস্টকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটে। আজকে আমি পিন্টারেস্ট ব্যবহার করে কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট প্রতিমাসে ১০,০০০-৩০,০০০ ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন এবং পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে সিপিএ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কটিং করতে পারেন তা নিয়ে কথা বলবো।


পিন্টারেস্টে সিপিএ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার ওয়েবসাইট থাকতে হবে। পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করার জন্য অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা দরকার। পিন্টারেস্ট কোনো ধরনের CPA, Affiliate লিংক Allow করে না। তাই আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে।


১. পিন্টারেস্ট একাউন্ট তৈরি।

পিন্টেরেস্টে মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি পিন্টারেস একাউন্ট খুলতে হবে। পিন্টারেস্টে একাউন্ট খুলার সময় অবশ্যই বিজনেস একাউন্ট। পিন্টারেস্টে দুই ধরনের একাউন্ট খুলা যায়।


Personal Account.

Business Account.


আপনি প্রথমে বিজনেস একাধিক খুলবেন। পার্সোনাল একাউন্ট তুলনা বিজনেস একাউন্ট অনেক গুলো ফিউচার বেশি পাওয়া যায়। বিজনেস একাউন্ট আপনি প্রতিদিনের ট্রাফিক এনালাইসিস দেখতে পারবেন এবং পিন্টারেস্টে এডস রান করতে পারবেন। পিন্টারেস্ট একাউন্ট নাম দেওয়া সময় অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট, কম্পানি অথবা আপনি যে নিস নিয়ে কাজ করবেন ঐ নিস অনুযায়ী দিবেন।


২. পিন্টারেস্ট একাউন্ট অপটিমাইজেশন।

পিনটারেস্ট একাউন্ট খুলার পর আপনার পিন্টারেস্ট প্রোফাইলটা অপটিমাইজন করতে হবে। যাতে কেউ সার্চ করলে আপনার একাউন্ট অথবা পিন সামনে দেখতে পায়। প্রথমে আপনার প্রোফাইল লগো দিবেন অথবা আপনার একটি পিকচার দিতে পারেন। সুন্দর করে আপনার প্রোফাইলে ডেসক্রিপশন দিবেন। ডেসক্রিপশন অবশ্যই আপনার নিস অনুযায়ী কিওয়ার্ড দিবেন। একাউন্টাকে সুন্দর করে সাজাবেন।


৩. ওয়েবসাইট ভেরিফাই।

আপনার ওয়েবসাইটটিকে পিন্টারেস্ট সাথে কানেক্ট করতে হবে। এইজন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটি পিন্টারেস্টে সাথে ভেরিফাই করতে হবে। দুই ভাবে ভেরিফাই করতে পারেন। পিন্টারেস্ট কোড আপনার ওয়েবসাইটর Header section নিচে বসিয়ে। অথবা পিন্টারেস্ট html ফাইল ডাউনলোড করে আপনার cpanel আপলোড করে ভেরিফাই করতে পারেন।


৪. পিন্টারেস্ট পিন পিন এবং বোর্ড তৈরি।

ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনাকে এখন পিন তৈরি করতে হবে। পিন্টরেস্ট মেইন হচ্ছে ছবি। যখন মানুষ পিন্টারেস্ট কোনো কিছু সার্চ করে তখন শুধু মাএ ছবি দেখা যায়। তাই পিন্টারেস্ট সবচেয়ে বেশি ছবি প্রতি নজর দিতে হবে। অবশ্যই ইউনিক বা কপিরাইট ফ্রি ছবি ব্যবহার করতে হবে। পিন্টারেস্ট আফিসিয়াল ফটো সাইজ অনুযায়ী ফটো আপলোড করতে হবে। পিন্টারেস্ট ইমেইজ সাইজ হচ্ছে : 1000 × 1500px


অবশ্যই পিন্টারেস্ট বোর্ড তৈরি করবেন। এবং পিন গুলোর রিলিভেন্ট বোর্ড গুলো সেট কর।


৫. পিন্টারেস্ট কিওয়ার্ড রিসার্চ


আপনার পিন পিন্টারেস্ট সার্চ র‍্যাংক করার জন্য অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। পিন্টারেস্ট জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ পিন্টারেস্ট থেকে করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে পিন্টারেস্ট মধ্য আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড দিয়ে প্রথমে সার্চ করতে হবে। সার্চ করার সময় নিচে দেখবেন পিন্টারেস্ট আপনাকে কতগুলো কিওয়ার্ড সাজেস্ট করতেছে।


আবার কোনো একটি কিওয়ার্ড করার পর দেখবেন নিচে আরো কিছু সাজেস্ট কিওয়ার্ড আছে।


Example: আপনি weight loss লিখে সার্চ করছেন দেখবেন সাজেস্টে দেখাচ্ছে for man, for women, for baby mom এই ভাবে ছোট ছোট কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে একটি long tail বা কিওয়ার্ড তৈরি করে ফলতে পারেন। যেটার মধ্যে কম্পিটিশন কম থাকবে এবং আপনার পিন পিন্টারেস্ট র‍্যাংক করবে এবং আপনার সাইটে ভিজিটর আশা শুরু করবে।


৬. পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ কিভাবে তৈরি করবেন?

পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ অনেকভাবে তৈরি করতে পারেন। আপনি যদি photoshop জানেন তাহলে photoshop দিয়ে পিন্টারেস্ট জন্য আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারেন। আর আপনি যদি photoshop না জানেন তাহলে Canva দিয়ে আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারেন। তাছাড়া মোবাইল দিয়ে আপনি পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ তৈরি করি ফেলতে পারেন। মোবাইল দিয়ে পিন্টারেস্ট ইমেজ তৈরি করার জন্য আপনাকে Pixellab apps টি ইনস্টল করতে হবে। এটা দিয়ে আপনি সুন্দর সুন্দর ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারবেন পিন্টারেস্ট জন্য।


৭. কিভাবে পিন্টারেস্ট থেকে আয় করবেন?

পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে আপনি অনেক ভাবে টাকা ইনকাম করতে পারেন। পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসবেন এবং ঐ ট্রাফিকে আপনি বিভিন্ন ভাবে মনিটাইজ করতে পারবেন। যেমন : এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট, সিপিএ সহ আরো অনেক উপায়ে মনিটাইজ করতে পারেন। আপনি যদি পিন্টারেস্টে লেগে থাকতে হবে। আপনি যদি পিন্টারেস্ট সময় দেন তাহল Pinterest থেকে ইনকাম করতে পারবেন।


৮. পিন্টারেস্ট মার্কেটিং টিপস।

. পিন্টারেস্ট প্রতিদিন ২-৩ টি পিন পাবলিশ করবেন।


. পিন্টারেস্ট ইমেজ কারো থেকে কপি করবেন না।


. পিন্টারেস্ট ইমেজে অবশ্যই টেক্সট ব্যবহার করবেন। Pinterest artificial intelligence ইমেজ text বুঝতে পারে।


. পিন টাইটেলে আপনার কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। অবশ্যই Long tail keyword ব্যবহার করবেন। এতে করে আপনার পিন দ্রুত র‍্যাংক করবে।


. আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করবেন। যাতে মানুষ আপনার ইমেজ ক্লীক করে আপনার সাইটে আসে।


. পিন ডেসক্রিপশন হ্যাশ ট্যাগ এবং আপনার কিওয়ার্ড গুলো এড করে দিবেন।


. কমপক্ষে ১০০-২০০ পিন পাবলিশ করুন।


. অন্যের পিন শেয়ার করুন।


. আপনার টার্গেট অডিয়েন্স গুলোকে ফলো করুন।


পিন্টারেস্ট মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা

পিন্টারেস্ট থেকে আপনে প্রচুর পরিমাণ ট্রাফিক পাবেন যদি আপনে পিন্টারেস্টকে ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। হাজার হাজার ব্লগার তাদের ওয়েবসাইটে পিন্টারেস্ট থেকে লাখ লাখ ট্রাফিক নিয়ে আসতেছে। তাহলে আপনে কেন পারবেন না। অনেক পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করতে এসে স্পামিং শুরু করে দেয়। আর পিন্টারেস্ট স্পামিং করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। যার ফলে পরে হতাশ হতে হয়। আপনাকে পিন্টারেস্ট সঠিকভাবে ভালো উপায়ে কাজ করতে হবে। কোনো স্পামিং করা যাবে না। পিন্টারেস্ট ইমেজ আপনি নিজে তৈরি করবেন। কোথাও থেকে কপি করবেন না। সঠিকভাবে পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করুন ভালো ফলাফল পাবেন। আপনাকে কমপক্ষে একশ থেকে দুইশ পিন পাবলিশ করতে হবে। তারপর পিন্টারেস্ট থেকে ভালো ফলাফল দেখতে পাবেন।

Thursday, 28 October 2021

ফাইবারে কাজ করতে হয় কি ভাবে

 ফাইবারে কাজ করতে হলে অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয় তা না হলে অনেক সাধের একাউন্টটি হারাতে হবে । যদিও ফাইবারের রুলস বলে শেষ করা যাবে না তারপর ও আমি আপাতত খুব গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা রুলস তুলে ধরব বাকি গুলো পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবঃ


একাউন্ট সম্পর্কে :

১টা IP বা কম্পিউটার / ল্যাপটপ দিয়ে একটা একাউন্ট করা যাবে একাধিক একাউন্ট ব্যবহার করলে সবগুলোই ব্যান হওয়ার সম্ভাবনা আছে!

ফাইবারে কাজ করতে হয় কি ভাবে


কম্পিউটার / ল্যাপটপ যে একাউন্ট ব্যবহার করতেছেন সেটা মোবাইল APP এ ব্যবহার করতে পারবেন কিন্তু একাধিক মোবাইল এ ব্যবহার না করে ভালো ।


একই WIFI এ একাধিক একাউন্ট ব্যবহার করবেন না ডিভাইস আলাদা হলেও একটা WIFI এর আন্ডার এ একটা একাউন্টই থাকা ভালো কারণ হলো আপনি একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করলেও IP ১টাই থাকবে এতে আপনার একাউন্ট ডিসেবল হওয়ার চান্স থাকবে ।


WIFI দিয়ে মোবাইল APP চালাতে পারবেন . কিন্তু ঐ যে একটা WIFI দিয়ে একটা একাউন্ট ।


ডিসএবল একাউন্ট :


একাউন্ট ডিসেবল হলে উইন্ডোস নতুন করে দিবেন ব্রাউসার নতুন করে ইনস্টল দিবেন নতুন ইমেইল এড্রেস এন্ড নতুন নম্বর দিয়ে ফ্রেশ একাউন্ট খুলবেন আসা করি প্রব্লেম করবে না ।


 একাউন্ট এ সেইম সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট অ্যাড করবেন না । যদি অ্যাড করতে চান তাহলে ডিফারেন্ট করবেন আগেরটার সাথে যেনো কোনো মিল না থাকে . আর যদি ঝামেলা মনে হয় তাহলে না অ্যাড করে ভালো ।


নতুন গিগ :


নতুন অবস্থায় ৭টা গিগ আপলোড দিবেন এতে কাজ পাওয়ার চান্স বেশি থাকে ।


 গিগ এ কোনো কপি পেস্ট করবেন না সব নিজে লেখার চেষ্টা করবেন ।


গিগ ইমেজ :


ইউনিক গিগ ইমেজ দেয়ার চেষ্টা করবেন এন্ড ইমেজ হবে সিম্পল এন্ড চোখে লাগে এমন ।


ইমেজ এ টেক্সট দিবেন বড় করে তাহলে বায়ার রা খুব সহজে আপনার গিগ কি টপিক এর উপর তা বুঝতে পারবে ।


গিগ ডেসক্রিপশন :


গিগ ডেসক্রিপশন এ লিখবেন খুব সিম্পল এন্ড ডাইরেক্ট ফরওয়ার্ড আপনি কি সার্ভিস ডিসিশন সেটা তুলে ধরবেন । এন্ড পারলে একটু ডেসক্রিপশন তা মজাদার করে তুলবেন ।


গিগ কীওয়ার্ড :


গিগ কীওয়ার্ড গুলো খুব বুঝে শুনে দিবেন টপ গিগ এর কীওয়ার্ড দেখে দেন নিজে একটা কীওয়ার্ড লিস্ট বানিয়ে সেগুলো দিবেন কিন্তু ফুল কপি করবেন না একজন এর কাছ থেকে ৫ জন এর থেকে 5টা নিন .


ভালো করে বোঝানো জন্য  ভিডিও টি 






কিভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়

 দেশে এখন নামে মাত্র লক্ষ লক্ষ ফ্রিলান্সার, কিন্তু রেগুলার ইনকাম করছে বা ভালো পর্যায়ে আছে এমন ফ্রিলান্সারের সংখ্যা খুবই কম। এর প্রধান কারণ:

কিভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়

ফ্রিলান্সার কি ভাবে সফল হবেন



বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রিলান্সিং সেক্টরটাকে তুলে ধরা হয়েছে একদম শেষ পর্যায় হিসেবে। লেখাপড়া কম্পলিট করতে পারেন নাই? সমস্যা নেই ফ্রিল্যান্সিং তো আছেই। জব খুঁজতে খুঁজতে দিশে হারা? সমস্যা নেই ফ্রিল্যান্সিং তো আছেই। আরো একদল আছে যারা ফ্রিল্যান্সিং এর আশায় লেখাপড়াই বাদ দিয়ে বসে।


লেখাপড়া করে কি হবে ফ্রিল্যান্সিং তো আছেই, একটা ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার কিনে নিয়ে বসে পড়লেই ২-১ মাসের ভেতর হাজার হাজার ডলার আসা শুরু হবে। কি এমন কঠিন কাজ কয়দিন দেখলেই পারবো।


এইসব ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে পর্দাপণ করে তাঁরপর আজকে এই বড় ভাই তো কালকে ওই বড় ভাইয়ের টিউটোরিয়াল গাইড লাইন ফলো করতে করতে এক সময় হারিয়ে যায়।


ফ্রিল্যান্সিং এ যদি সফল হতে চান প্রথমেই এইসব ভুল ধারণা মাথা থেকে ছুড়ে ফেলতে হবে। সমাজের আর ১০ টা সম্মানি পেশাকে যেভাবে দেখেন ফ্রিল্যান্সিং কেও সেভাবেই দেখতে হবে। আর ১০ টা পেশাতে যত পরিশ্রম করা লাগে তাঁর থেকে দ্বিগুণ পরিশ্রম করার মন মানসিকতা তৈরি করতে হবে।


কিভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন:


সর্ব প্রথম ইংরেজীতে পড়তে পারা,বলতে পারা, লিখতে পারা অর্থাৎ কমিউনিকেশন করা জানতে হবে। একদম ফ্লুয়েন্ট ইংরেজী জানতে হবে তা নয়, কিন্তু কাজ চালিয়ে নেবার মতো জ্ঞান থাকতে হবে।

কম্পিউটারের ব্যাসিক জানা, যেমন: টাইপিং,অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে জানা, ট্রাবুল শুটিং ইত্যাদি ব্যাসিক দক্ষতা লাগবে।

গুগোল সার্চ জানা, যদি গুগোলের সাথে মনের ভাব আদান প্রদান করতে পারেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে যত বারই হোচট খাবেন তত বারই গুগোলের কাছে গিয়ে মনের কথা প্রকাশ করতে পারবেন, সলিউশন নিতে পারবেন। এই একটা মাত্র স্কিল আপনাকে যে কোন কাজে সাহায্য করতে পারে, গুগোল সার্চ করতে পারলে কোন মেন্টর বা কোন পেইড কোর্স বড় ভাইদের পিছে ছুটতে হবে না।

যদি আগে থেকে ঠিক করতে না পারেন কোন কাজে নিজের স্কিল ডেভেলোপ করবেন, আপনার কোন স্কিল সেল করে ডলার ইনকাম করবেন তাহলে আমি বলবো প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে সার্চ করুন,ব্লগ পড়ুন, ভিডিও দেখুন পারলে কিছুদিন শেখার চেষ্টা করুন। তাঁরপর নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার জন্য কোন কাজটি পারফেক্ট আর যখন বুঝতে পারবেন তখন নিজেই যে কোন একটা স্কিল বাছাই করে নিতে পারবেন। ফ্রিলান্সিং এর কোন সেক্টরে কাজ শিখবেন এই বিষয়ে কারো থেকে পরামর্শ ভুলেও নিবেন না। আপনার যে সেক্টর ভালো লাগে সেটাই বাছাই করুন।

এবার আপনে জেনে গেছেন কোন বিষয়ে স্কিল ডেভেলোপ করবেন। এখন নিদিষ্ট একটা সময়ের জন্য মাইনসেট তৈরি করে ফেলুন। এই সময়ের মধ্যে যত যাই হোক না কেন আপনি স্কিল ডেভেলোপ করা ছেড়ে দিবেন না। প্রতিদিন রুটিনমাফিক চর্চা চালিয়ে যাবেন। আপনে যেই সেক্টরেই স্কিল ডেভেলোপ করেন না কেন, কমপক্ষে ১ বছর সময় হাতে নিয়ে নামবেন, এই ১ বছরের মধ্যে কোন ডলার ইনকাম করার চিন্তাও মাথায় আনবেন না।

স্কিল ডেভেলোপ করার পাশাপাশি আপনে যেই সেক্টরে স্কিল ডেভেলোপ করছেন সেই সেক্টরের ফেসুবুক গ্রুপ গুলোতে জয়েন করুন, বিভিন্ন ফোরামে একটিভ থাকুন, ভালো কিছু ইউটিউব চ্যানেল, ব্লগ ফলো করুন।

ফ্রিলান্সিং এ সফল হবার মন্ত্র একটাই, ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা। এভাবে ১ বছর আগে চর্চা চালিয়ে চান, তাঁরপর আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আপনে নিজেই ভালো দিতে পারবেন।

গুগল এডমোব থেকে কি ভাবে ইনকাম করবেন...?

 #Id_108

আসসালামু আলাইকুম ও রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। বন্ধুরা আজকে আমরা গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতি নিয়ে আলোচনা করব।কারণ নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে কাজ করলে আপনারা গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।


প্রিয় বন্ধুরা এডমোব থেকে সাধারণত এপ্লিকেশন তৈরী করে টাকা ইনকাম করতে হয়। এখন এই এপ্লিকেশন যদি গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতির বাহিরে থাকে তাহলে, হয়তো গুগল এডমোব আপনাকে ইনকাম করতে দিবেনা। আপনারা যারা অ্যাপ্লিকেশন পাবলিশ করে গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করতে চান, তাদের জন্য গুগল এডমোব এর নিয়ম-নীতি জানা খুবই জরুরী। তো চলো এখন আমরা গুগল এডমোব এর গাইড সম্পর্কে আলোচনা করি।


গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতি?

আপনি যদি গুগল এডমোব থেকে ইনকাম করতে চান, তাহলে তো অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতি মানতেই হবে। গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতি অমান্য করলে আপনারা কখনোই গুগল এডমোব থেকে ইনকাম করতে পারবেন না। গুগল এডমোব এর যে নিয়ম-নীতিগুলো নিয়ে আলোচনা করব তা নিচে দেওয়া হল।


**Malicious or unwanted software

**Child sexual abuse imagery

**Copyrighted content

**Trademarks

**illiegal requirement


উপরোক্ত নিয়মগুলো আপনার মাথায় একবার নলেজ আসলেই বুঝতে পারবেন যে, গুগল এডমোব থেকে ইনকাম করার আসল পরিশ্রম। তো বন্ধুরা আপনারা যদি উপরোক্ত পয়েন্ট গুলো মেনে গুগল এডমোব নেটওয়ার্কে কাজ করেন তাহলে,আশা করা যায় আপনারাও গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তো চলুন এখন এর পয়েন্ট গুলো নিয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।


আরেকটি কথা, যেহেতু গুগল এডমোব থেকে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে হয় । সেহেতু আপনার অ্যাপ্লিকেশনটির ব্যবহার? অ্যাপ্লিকেশন কি কি থাকবে? কিভাবে এপ্লিকেশন তৈরি করবেন?এই বিষয়বস্তুগুলো অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন এর ভিতর অংশগুলো আর ইনকামের আসল কারণ হবে। তো চলুন এবার আমরা সরাসরি মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করি‌।


Malicious or unwanted software

বন্ধুরা,যদি আপনি হ্যাকিং জাতীয় কোনো অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন তাহলে, গুগলের কাছে সেইসব এপস পলিসি ভায়োলেন্স এর আওতায় পড়বেই। এবং এমন কোনো অ্যাপ্লিকেশনকে গুগল কখনোই অ্যালাউ করবে না। আর যদি এলাও করে ও তবুও আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য মনিটাইজেশন অন করতে পারবেন না।


আর মনিটাইজেশন অন না করতে পারলে আপনার ইনকাম আসবে না। তাই অবশ্যই, আপনি যদি হ্যাকিং জাতীয় কোন এপ্লিকেশন তৈরী করেন তাহলে, কখনোই গুগল আপনাকে মনিটাইজেশন দিবে না। তাই আপনাকে এই ধরনের হ্যাকিং সংক্রান্ত অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।



Child sexual abuse imagery

এটি পয়েন্টটি সবচেয়ে ইমপোর্টেন্ট পয়েন্ট। বন্ধুরা সেক্স বৈধতা পেলেও, Child Sex (শিশু যৌন) কিন্তুু ভয়াবহ মাএার ক্রাইম,,, যেটা আমরা প্রায় সকলেই জানি। শুধু জানলেই হবে না এই পয়েন্টেও আপনাকে মানতে হবে। এবং এই সম্পর্কিত কোনো বিষয় যদি আপনার অ্যাপ্লিকেশনএ থাকে তাহলে, গুগল আপনার অ্যাপ্লিকেশন কে মনিটাইজ করবে না।


আর যদি গুগোল আপনার অ্যাপ্লিকেশনকে মনিটাইজ না করে তাহলে তো ইনকাম দূরের কথা। তাই অবশ্যই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার পূর্বে এদিকেও আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।আবারো বলছি গুগল আপনাকে আপনার অ্যাপ্লিকেশনের মনিটাইজেশন করবে, এবং আপনার অ্যাপ্লিকেশন এ এড শো করানো হবে। এবং তখনি আপনার ইনকাম আসবে। তাই আশা করি এই ধরনের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা থেকে বিরত থাকবেন।


Copyrighted content

গুগোল থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য, শুরুতেই গুগোল এর আন্ডারে দুইটি শব্দ আসে,তা হলো Copyrighted content (কপিরাইট কন্টেন্ট) বন্ধুরা, সত্যি বলতে গুগল কখনই কোনো কপরিটাইটেড কন্টেন্ট কে সাপোর্ট করে নাই । এমনকি বর্তমানেও করে না। তাই আপনার অ্যাপ্লিকেশনে যদি কোনো ধরনের কপিরাইট কনটেন্ট থাকে তাহলে,


গুগল কখনই আপনার অ্যাপ্লিকেশন কে মনিটাইজ করবে না। আর যদি আপনার অ্যাপ্লিকেশনকে মনিটাইজ না করে তাহলে, এই অ্যাপ্লিকেশন থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন না। তাই আপনি যদি গুগল থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে, অবশ্যই কঁপিরাইটেড কনটেন্ট পলিসি মানতেই হবে। তা না হলে আপনারা গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।


Trademarks

গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে বড় ইস্যুর নাম হলো, ট্রেডমার্কস। যদি আপনার ট্রেডমার্কস সম্পর্কে কোনো ধারনা না থাকে তাহলে, এ বিষয়ে আপনার নলেজ থাকতে হবে। ট্রেডমার্কস সম্পর্কে আমিও খুব একটা বেশী জানিনা তাই,,,, শুধু এইটুকুই বলবো, অন্যের রেজিষ্ট্রি করা কোনো ফাইল বা কন্টেন্ট নিজের প্রজেক্ট বা কাজে ব্যবহার করা সম্পূর্ন বে-আইনি।


আর এই বেআইনি কাজ করলে গুগল আপনাকে কখনোই ইনকাম দিবে না। তাই আপনি যদি গুগোল অ্যাপস থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে, ট্রেডমার্কস পলিসি আপনাকে মেনে এপ্লিকেশন তৈরী করে কাজ করতে হবে। তাহলে আপনার অ্যাপ্লিকেশন মনিটাইজ একসেপ্ট হবে এবং আপনি ইনকাম করতে পারবেন গুগোল এডমোব থেকে।


illiegal requirement

গুগোল অনলাইনে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি নেটওয়ার্ক। এমনকি গুগল কখনই কোনো ইলিগ্যাল বিষয়কে সাপোর্ট করেনা। গুগল থেকে আর আপনি যদি ইনকাম করতে চান তাহলে, এখানে আপনাকে লিগ্যাল ভাবে কাজ করতে হবে। ইলিগ্যাল ভাবে কাজ করলে গুগল আপনাকে অ্যালাউ করবে না। আর আপনাকে যদি গুগল অ্যালাউ না করে তাহলে, কিভাবে আপনি গুগল থেকে ইনকাম এর কথা চিন্তা করেন। তাই এপলিসি ও আপনাকে মেনে কাজ করতে হবে।


যে বন্ধুরা, উপরোক্ত পলিসি গুগোল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনারা যারা গুগল এডমোব থেকে টাকা ইনকাম করতে চান,,, তারা অবশ্যই উপরোক্ত পলিসি সঠিক নিয়ম জেনে কাজ করবেন। আশা করি তাহলেই আপনারা গুগল এডমোব থেকে মনিটাইজ পেয়ে যাবেন। এবং গুগল এডমোব মনিটাইজ অন করে সহজে গুগল থেকে ইনকাম করতে পারবেন।


আর্টিকেল এর শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলে আমরা শিখতে পারে জানতে পারলাম, গুগল এডমোব এর নিয়ম নীতি সম্পর্কে।গুগল এডমোব এর নিয়মিতি ভঙ্গ করে কাজ করলে কখনোই আপনারা ইনকাম করতে পারবেন না। ঠিক এ কারণেই এই বিষয়টা নিয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করলাম। যদিও সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও বিস্তারিত আপনাদের কে বোঝানো ও জানানোর চেষ্টা করেছি।


। 

Mute Cash app can earn 4/5 hundred rupees per day

  

Mute Cash app can earn 4/5 hundred rupees per day ..?




 mute cash app First you have to install the app from play store, after installing you have to sing it up


 [In order for this app to work you need to use a VPN.


 This app will have 3 stups which are these 3

  You can earn income through stup

 (Photo)

 (stup 1) Calculate. As you look at the text 3 × 3 =?  You have to click Samiti to the north of it then an ad will come which you have to watch for 20 seconds


 (stup2) You will be asked 20 questions. You will see an ad every 20 seconds with an answer


 (stup3) You need to roll the wheel a

  After rolling the wheel you will see 20 seconds ad


 This way you can earn income

 You can use this money to raise money in your Paytm or cash or PayPal 

Earn by ClipClaps | Easy to earn with mobile Phone

 Today we will learn in a few steps how we can earn daily income through clip claps. So we have named this topic Earn by clipclaps, so let's start without wasting time. Step 1: Go to Play Store from your smart phone.



Search by typing “Clip Claps” in Search. You will see an app like the screenshot below and install it by pressing the Install button. Step 2: Open the Clap Claps app. Click on the Continue with Facebook button as you can see in the screenshot below.

 Press the ALLOW button. After that your Clap Claps app will be open.

Step 3: Click on the Rewards button to see the three buttons Videos, Rewards, Me at the bottom.


You will see Redeem written on the top right. Click there


And enter the number given in the screenshot below and click on Resend Code. You will see that "1 dollar" has been credited to your account. Special Note: If you have not entered the above number,

 "1 dollar" will not be credited to your account, 
so check the number well and then click on Resend Code.)

 82Kog58


Click on the Video button to watch the video and collect Reward every day and earn Coin and you can easily earn money by exchanging that Coin for Dollar.


 So you can earn by clipclaps Let your friends know this trick by clicking on the Facebook share button below. If many people can do this together, then at the end of the month you can earn about 60-70 dollars per person.

আপনে কি ভাবে হাতে মোবাইল ফোন দিরে ইনকাম করবেন

 আপনি যদি আসলেই মোবাইল দিয়ে কোন কাজ করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালো কিছু করতে হবে। নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর স্কিল ডেভেলপ করতে হবে। তারপর আপনি সেই স্কিল দিয়ে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে পারবেন। আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন  freelancer upwork fiverr

Lifetime


হচ্ছে বিশ্বের বড় বড় ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস।


তারমধ্যে freelancer.com এ আমি 12000 জব ক্যাটাগরি দেখেছি তারমধ্যে 30/40 টি ক্যাটাগরি পেয়েছি যেগুলো আপনার মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

SEO বা Search Engine Optimization কি?

 SEO শব্দের অর্থ  Search Engine Optimization. SEO বা Search Engine Optimization বলতে বোঝায় যে পদ্ধতির মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট এবং কি-ওয়ার্ড কে র‌্যাংকিং করানো হয় সেই পদ্ধতিকে Search Engine Optimization বা SEO বলে। 

Search Engine Optimization


সহজভাবে বলতে বোঝায়, Search Engine-এ যে পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ এঞ্জিন-এর প্রথম পৃষ্ঠায় নিয়ে আসার জন্য যে প্রযুক্তিগত কৌশল ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেই প্রযুক্তিগত কৌশল কেই বলা হয়  SEO বা Search Engine Optimization. 

অর্থাৎ সার্চ এঞ্জিন-এ অন্তর্ভুক্ত করে সারা বিশ্বের ইন্টারনেট বাবহারকারিদের সম্মুখে আপনার ওয়েবসাইটকে পরিচিত করার পক্রিয়াকেই SEO বা Search Engine Optimization বলে।


আমি হোয়াইট হ্যাট কিংবা গ্রে হ্যাট, ব্লাক হ্যাট SEO নিয়ে কথা বলবো না।কারন যখন আমরা কিছু শিখবো তাই সঠিক টাই শিখবো, আমরা মূলত হোয়াইট হ্যাট SEO নিয়েই কথা বলি।

Search Engine Optimization
Search Engine Optimization 


SEO মূলত ২ প্রকার 


1:On page SEO


2:Off page SEO



Google এর বিষয়ে জানুন বাংনাতে

 #google/গুগল


 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার কোম্পানী

 ভাষা


 এই নিবন্ধটি কোম্পানি সম্পর্কে। সার্চ ইঞ্জিনের জন্য, গুগল অনুসন্ধান দেখুন।

 গুগল এলএলসি[৪] (ইংরেজি: Google LLC) বা গুগল লিমিটেড লায়াবেলিটি কোম্পানি ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা ও পণ্যে বিশেষায়িত একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ছাত্র থাকাকালীন ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন ১৯৯৮ সালের ৪ই সেপ্টেম্বর গুগল নির্মান করেন। গুগলের ১৪ শতাংশ শেয়ার তাদের এবং বিশেষ সুপারভোটিং ক্ষমতার মাধ্যমে ৫৬ শতাংশ স্টকহোল্ডারকে নিয়ন্ত্রণ করে। সেপ্টেম্বর ৪, ১৯৯৮ সালে তারা গুগলকে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। গুগল আগস্ট ১৯, ২০০৪ সালে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও) দেয় ও গুগলপ্লেক্স নামে মাউন্টেইন ভিউতে তাদের নতুন সদরদপ্তরে স্থানান্তরিত হয়। আগস্ট ২০১৫ সালে গুগল এর বিভিন্ন কার্যক্রম আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড নামে সমন্বিত করার পরিকল্পনার কথা জানায়। আলফাবেটের প্রধান অধীনস্থ সংগঠন হিসেবে আলফাবেটের ইন্টারনেট কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পুনর্গঠনের সমাপনী অংশ হিসেবে ল্যারি পেজ সুন্দর পিচাইকে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিস্থাপন করেন। (ল্যারি পেজ এখন আলফাবেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)

Lifetime
Lifetime

 নীল, লাল, হলুদ, নীল, সবুজ, ও লাল রঙে রাঙানো গুগলের অক্ষরগুলো

 গুগলের লোগো ২০১৫-এর হিসাব অনুযায়ী

 Googleplex-Patio-Aug-2014.JPG

 গুগলের সদরদপ্তর গুগলপ্লেক্স

 প্রাক্তন নাম

 গুগল ইনকর্পোরেটেড (১৯৯৮—২০১৭)

 ধরন

 অধীনস্থ

 শিল্প

 ইন্টারনেট

 সফটওয়্যার

 হার্ডওয়্যার

 প্রতিষ্ঠাকাল

 ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ (২৩ বছর আগে) মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।[১][২]

 প্রতিষ্ঠাতাগণ

 ল্যারি পেজ

 সের্গেই ব্রিন

 সদরদপ্তর

 ১৬০০ এম্পিথিয়েটার পার্কওয়ে, মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র[৩]

 বাণিজ্য অঞ্চল

 বিশ্বব্যাপী

 প্রধান ব্যক্তি

 সুন্দর পিচাই (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)

 রুঠ পোরাট (প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা)

 আয়

 ৬৬,০০,১০,০০,০০০ মার্কিন ডলার (২০১৪)

 সুদ ও করপূর্ব আয়

 ১৬,৪৯,৬০,০০,০০০ মার্কিন ডলার (২০১৪)

 নীট আয়

 ১৪,৪৪,৪০,০০,০০০ মার্কিন ডলার (২০১৪)

 মোট সম্পদ

 ১,৩১,১৩,৩০,০০,০০০ মার্কিন ডলার (২০১৪)

 কর্মীসংখ্যা

 ১,১৪,০৯৬ (২০১৯)

 মাতৃ-প্রতিষ্ঠান

 আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড (২০১৫—বর্তমান)

 ওয়েবসাইট

 google.com

 গুগলের প্রধান সেবা গুগল সার্চ ছাড়াও নতুন পণ্য, অধিগ্রহণ ও অংশীদারত্বের সাথে সাথে কোম্পানিটির দ্রুত প্রসার হয়। কাজ ও প্রোডাক্টিভিটি সেবা (গুগল ডক, শিট ও স্লাইড), ইমেইল (জিমেইল/ইনবক্স), সময়সূচী ও সময় ব্যবস্থাপক (গুগল ক্যালেন্ডার), ক্লাউড স্টোরেজ (গুগল ড্রাইভ), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (গুগল+), ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং ও ভিডিও চ্যাট ( গুগল এলো/ডুও/হ্যাংআউট), অনুবাদক (গুগল ট্রান্সলেট), মানচিত্র (গুগল ম্যাপস/ওয়েজ/আর্থ/স্ট্রিট ভিউ), ভিডিও ভাগাভাগি (ইউটিউব), নোট নেওয়া (গুগল কিপ), এবং ছবি ব্যবস্থাপক (গুগল ফটোজ) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ।


 গুগল সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় এক মিলিয়ন সার্ভার চালায়[৫] ও ৫.৪ বিলিয়নের বা ৫০০কোটির উপর অনুসন্ধানের অনুরোধ[৬] এবং প্রায় ২৪ পেটাবাইট ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরী ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে প্রতিদিন[৭][৮][৯][১০] । ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর অনুযায়ী এলেক্সা আমেরিকার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা ওয়েবসাইটের তালিকায় স্থান দেয় গুগলকে। এছাড়াও গুগলের অন্যান্য আন্তর্জাতিক সাইট যেমন ইউটিউব, ব্লগার এবং অরকুট[১১] সেরা একশটি সাইটে স্থান পায়। ব্রান্ড্য তাদের ব্রান্ড ইকুইটি ডাটাবেজে গুগলকে ২য় স্থান দেয়[১২]। গুগলের আধিপত্য বিভিন্ন সমালোচনার জন্ম দিয়েছে যেমন কপিরাইট, গোপনীয়তা এবং সেন্সরশিপ প্রভৃতি[১৩][১৪]।


 ইতিহাস

 পণ্য এবং সেবা

 যৌথ কারবার এবং সংস্কৃতি

 কর্মী

 অন্যান্য পণ্য

 আরো দেখুন

 তথ্যসূত্র

 Yahya দ্বারা ৮ দিন আগে সর্বশেষ সম্পাদিত

 সম্পর্কিত পাতা

 আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড

 গুগল এবং উইকিপিডিয়া

 গুগল লোগো

 উইকিপিডিয়া

 বিষয়বস্তু সিসি বাই-এসএ ৩.০-এর আওতায় প্রকাশিত যদি না অন্য কিছু নির্ধারিত থাকে।

 গোপনীয়তার নীতি 

পিন্টারেস্ট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন

 পিন্টারেস্ট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন

পিন্টারেস্ট! আমেরিকা সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়া। আপনার বিজনেস জন্য হতে পারে বেস্ট একটি সোশ্যাল মিডিয়া। ২০০৯ সালে ডিসেম্বর মাসে পিন্টারেস্ট তৈরি করা হয়। Ben Silbermann, Paul Sciarra, Evan Sharp এই তিন জন মিলে পিন্টারেস্ট তৈরি করেন। বর্তমানে ৪৭৮ মিলিয়ন এক্টিভ ব্যবহারকারী আছে পিন্টারেস্টে।

Lifetime
Lifetime 


ওয়েবসাইট র‍্যাংকিং দিক দিয়ে বিশ্বের ১৪ নাম্বার অবস্থান পিন্টারেস্ট। আপনার বিজনেস জন্য বিশাল একটা জায়গা করে রাখবে পিন্টারেস্ট। প্রায় ছোট বড় সকল বিজনেস পিন্টারেস্ট থেকে ট্রাফিক নিয়ে আসে। আপনার ব্যবসা জন্য পিন্টারেস্ট হতে পারে অন্যতম একটি উৎস। পিন্টারেস্টকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটে। আজকে আমি পিন্টারেস্ট ব্যবহার করে কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট প্রতিমাসে ১০,০০০-৩০,০০০ ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন এবং পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে সিপিএ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কটিং করতে পারেন তা নিয়ে কথা বলবো।


পিন্টারেস্টে সিপিএ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার ওয়েবসাইট থাকতে হবে। পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করার জন্য অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা দরকার। পিন্টারেস্ট কোনো ধরনের CPA, Affiliate লিংক Allow করে না। তাই আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে।


১. পিন্টারেস্ট একাউন্ট তৈরি।

পিন্টেরেস্টে মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি পিন্টারেস একাউন্ট খুলতে হবে। পিন্টারেস্টে একাউন্ট খুলার সময় অবশ্যই বিজনেস একাউন্ট। পিন্টারেস্টে দুই ধরনের একাউন্ট খুলা যায়।


Personal Account.

Business Account.


আপনি প্রথমে বিজনেস একাধিক খুলবেন। পার্সোনাল একাউন্ট তুলনা বিজনেস একাউন্ট অনেক গুলো ফিউচার বেশি পাওয়া যায়। বিজনেস একাউন্ট আপনি প্রতিদিনের ট্রাফিক এনালাইসিস দেখতে পারবেন এবং পিন্টারেস্টে এডস রান করতে পারবেন। পিন্টারেস্ট একাউন্ট নাম দেওয়া সময় অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট, কম্পানি অথবা আপনি যে নিস নিয়ে কাজ করবেন ঐ নিস অনুযায়ী দিবেন।


২. পিন্টারেস্ট একাউন্ট অপটিমাইজেশন।

পিনটারেস্ট একাউন্ট খুলার পর আপনার পিন্টারেস্ট প্রোফাইলটা অপটিমাইজন করতে হবে। যাতে কেউ সার্চ করলে আপনার একাউন্ট অথবা পিন সামনে দেখতে পায়। প্রথমে আপনার প্রোফাইল লগো দিবেন অথবা আপনার একটি পিকচার দিতে পারেন। সুন্দর করে আপনার প্রোফাইলে ডেসক্রিপশন দিবেন। ডেসক্রিপশন অবশ্যই আপনার নিস অনুযায়ী কিওয়ার্ড দিবেন। একাউন্টাকে সুন্দর করে সাজাবেন।


৩. ওয়েবসাইট ভেরিফাই।

আপনার ওয়েবসাইটটিকে পিন্টারেস্ট সাথে কানেক্ট করতে হবে। এইজন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটি পিন্টারেস্টে সাথে ভেরিফাই করতে হবে। দুই ভাবে ভেরিফাই করতে পারেন। পিন্টারেস্ট কোড আপনার ওয়েবসাইটর Header section নিচে বসিয়ে। অথবা পিন্টারেস্ট html ফাইল ডাউনলোড করে আপনার cpanel আপলোড করে ভেরিফাই করতে পারেন।


৪. পিন্টারেস্ট পিন পিন এবং বোর্ড তৈরি।

ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনাকে এখন পিন তৈরি করতে হবে। পিন্টরেস্ট মেইন হচ্ছে ছবি। যখন মানুষ পিন্টারেস্ট কোনো কিছু সার্চ করে তখন শুধু মাএ ছবি দেখা যায়। তাই পিন্টারেস্ট সবচেয়ে বেশি ছবি প্রতি নজর দিতে হবে। অবশ্যই ইউনিক বা কপিরাইট ফ্রি ছবি ব্যবহার করতে হবে। পিন্টারেস্ট আফিসিয়াল ফটো সাইজ অনুযায়ী ফটো আপলোড করতে হবে। পিন্টারেস্ট ইমেইজ সাইজ হচ্ছে : 1000 × 1500px


অবশ্যই পিন্টারেস্ট বোর্ড তৈরি করবেন। এবং পিন গুলোর রিলিভেন্ট বোর্ড গুলো সেট কর।


৫. পিন্টারেস্ট কিওয়ার্ড রিসার্চ


আপনার পিন পিন্টারেস্ট সার্চ র‍্যাংক করার জন্য অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। পিন্টারেস্ট জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ পিন্টারেস্ট থেকে করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে পিন্টারেস্ট মধ্য আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড দিয়ে প্রথমে সার্চ করতে হবে। সার্চ করার সময় নিচে দেখবেন পিন্টারেস্ট আপনাকে কতগুলো কিওয়ার্ড সাজেস্ট করতেছে।


আবার কোনো একটি কিওয়ার্ড করার পর দেখবেন নিচে আরো কিছু সাজেস্ট কিওয়ার্ড আছে।


Example: আপনি weight loss লিখে সার্চ করছেন দেখবেন সাজেস্টে দেখাচ্ছে for man, for women, for baby mom এই ভাবে ছোট ছোট কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে একটি long tail বা কিওয়ার্ড তৈরি করে ফলতে পারেন। যেটার মধ্যে কম্পিটিশন কম থাকবে এবং আপনার পিন পিন্টারেস্ট র‍্যাংক করবে এবং আপনার সাইটে ভিজিটর আশা শুরু করবে।


৬. পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ কিভাবে তৈরি করবেন?

পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ অনেকভাবে তৈরি করতে পারেন। আপনি যদি photoshop জানেন তাহলে photoshop দিয়ে পিন্টারেস্ট জন্য আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারেন। আর আপনি যদি photoshop না জানেন তাহলে Canva দিয়ে আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারেন। তাছাড়া মোবাইল দিয়ে আপনি পিন্টারেস্ট জন্য ইমেজ তৈরি করি ফেলতে পারেন। মোবাইল দিয়ে পিন্টারেস্ট ইমেজ তৈরি করার জন্য আপনাকে Pixellab apps টি ইনস্টল করতে হবে। এটা দিয়ে আপনি সুন্দর সুন্দর ইমেজ তৈরি করে ফেলতে পারবেন পিন্টারেস্ট জন্য।


৭. কিভাবে পিন্টারেস্ট থেকে আয় করবেন?

পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে আপনি অনেক ভাবে টাকা ইনকাম করতে পারেন। পিন্টারেস্টকে ব্যবহার করে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসবেন এবং ঐ ট্রাফিকে আপনি বিভিন্ন ভাবে মনিটাইজ করতে পারবেন। যেমন : এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট, সিপিএ সহ আরো অনেক উপায়ে মনিটাইজ করতে পারেন। আপনি যদি পিন্টারেস্টে লেগে থাকতে হবে। আপনি যদি পিন্টারেস্ট সময় দেন তাহল Pinterest থেকে ইনকাম করতে পারবেন।


৮. পিন্টারেস্ট মার্কেটিং টিপস।

. পিন্টারেস্ট প্রতিদিন ২-৩ টি পিন পাবলিশ করবেন।


. পিন্টারেস্ট ইমেজ কারো থেকে কপি করবেন না।


. পিন্টারেস্ট ইমেজে অবশ্যই টেক্সট ব্যবহার করবেন। Pinterest artificial intelligence ইমেজ text বুঝতে পারে।


. পিন টাইটেলে আপনার কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। অবশ্যই Long tail keyword ব্যবহার করবেন। এতে করে আপনার পিন দ্রুত র‍্যাংক করবে।


. আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করবেন। যাতে মানুষ আপনার ইমেজ ক্লীক করে আপনার সাইটে আসে।


. পিন ডেসক্রিপশন হ্যাশ ট্যাগ এবং আপনার কিওয়ার্ড গুলো এড করে দিবেন।


. কমপক্ষে ১০০-২০০ পিন পাবলিশ করুন।


. অন্যের পিন শেয়ার করুন।


. আপনার টার্গেট অডিয়েন্স গুলোকে ফলো করুন।


পিন্টারেস্ট মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা

পিন্টারেস্ট থেকে আপনে প্রচুর পরিমাণ ট্রাফিক পাবেন যদি আপনে পিন্টারেস্টকে ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। হাজার হাজার ব্লগার তাদের ওয়েবসাইটে পিন্টারেস্ট থেকে লাখ লাখ ট্রাফিক নিয়ে আসতেছে। তাহলে আপনে কেন পারবেন না। অনেক পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করতে এসে স্পামিং শুরু করে দেয়। আর পিন্টারেস্ট স্পামিং করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। যার ফলে পরে হতাশ হতে হয়। আপনাকে পিন্টারেস্ট সঠিকভাবে ভালো উপায়ে কাজ করতে হবে। কোনো স্পামিং করা যাবে না। পিন্টারেস্ট ইমেজ আপনি নিজে তৈরি করবেন। কোথাও থেকে কপি করবেন না। সঠিকভাবে পিন্টারেস্ট মার্কেটিং করুন ভালো ফলাফল পাবেন। আপনাকে কমপক্ষে একশ থেকে দুইশ পিন পাবলিশ করতে হবে। তারপর পিন্টারেস্ট থেকে ভালো ফলাফল দেখতে পাবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি বা কেনো করবো...?...?

 তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার প্রচারণাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।সময়ের পরিক্রমায় সব কিছু আধুনিকায়নের পাশাপাশি ব্যবসায়ের প্রচার-প্রচারণায় ও এসেছে পরিবর্তন। তাই ট্রেডিশনাল মার্কেটিং থেকে এখন মানুষ ঝুকছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দিকে। কারণ স্বল্প ব্যয়ে,কম পরিশ্রমে কাঙখিত গ্রাহকদের নিকট নিজের পণ্য বা সেবা পৌছে দিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জুড়ি নেই।



ক্রমশ এর পরিধি বাড়ার সাথে সাথে চাহিদা বাড়ছে দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারদের। ডিজিটাল মার্কেটিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন,সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং,সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং,অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং,মোবাইল মার্কেটিং,ই-মেইল মার্কেটিং,কন্টেন্ট মার্কেটিং,ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ইত্যাদি। আপনার দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা অনুযায়ী উল্লেখিত যেকোনো ক্ষেত্রে বিচরণ করতে পারেন।


প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান অগ্রসরতায় গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পণ্য কিংবা সেবার আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জুড়ি নেই। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কোনো ক্রেতারা কোনো একটি পণ্য ক্রয় কিংবা সেবা ভোগ করার জন্য সামাজিক মাধ্যম গুলোর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আর তাই দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার দের চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তাই ভবিষ্যত সম্ভাবনার কথা ভেবে আপনিও গড়ে তুলতে পারেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ক্যারিয়ার।


শুধুমাত্র চাহিদা বিবেচনা করে নয়, আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতার  সম্মিলনে কোন সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়বেন সেটা ঠিক করুন। মনে রাখবেন, সব কাজেরই যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আপনার যদি কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে এবং রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন না দেখে পরিশ্রম করতে পারেন ইনশাআল্লাহ  সফল হবেন। শুভকামনা আপনার জন্য।